Showing posts with label রাজারবাগ. Show all posts
Showing posts with label রাজারবাগ. Show all posts

Thursday, April 26, 2018

ইসলামের জন্য যেসকল আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে

১) মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত রিট:
কুড়িগ্রামের একটি ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকার কদমতলা মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম https://goo.gl/5qKche
২) সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার দিন পোপের আগমন নিয়ে রিট:
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি থেমে থাকলেন না। তিনি হাইকোর্টে আইনত ব্যবস্থা নিলেন ডিএমপির সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে। মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে কবুল করেছেন, তাও প্রমাণিত হলো। https://goo.gl/QEjrjj

Friday, February 23, 2018

ছবি তোলা হারাম- দেওবন্দ

হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনে ওয়ালা জাহান্নামী।” নাঊযুবিল্লাহ! (মুসলিম শরীফ)
    عن ابى معاوية رضى الله تعالى عنه ان من اشد اهل النار يوم القيمة عذابا المصورون.
অর্থ: হযরত আবূ মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত, “নিশ্চয় ক্বিয়ামতের দিন দোযখবাসীদের মধ্যে ঐ ব্যক্তির কঠিন আজাব হবে, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি আঁকে বা তোলে।” (মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০১) 
এখন হজ্জ্ব পালন করতে হলেও অসংখ্য ছবি তুলতে বাধ্য হতে হয় অর্থাৎ একটি ফরয আদায় করতে হলে বাধ্য হয়ে অসংখ্য কবীরা গুনাহ করতে হয়। (যদিও এমতাবস্থায় হজ্জ্ব ফরয থাকেনা)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়া নাজায়েজ। তাই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোনো ছবি দেওয়া যাবে না বলে ফতোয়া দিয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের ইসলামী বিদ্যাপিঠ দারুল উলুম দেওবন্দ।
দারুল উলুম দেওবন্দের হয়ে দারুল ইফতা ঘোষণা করেছে যে মুসলমান পুরুষ হোক অথবা মহিলা, তার স্যোশাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়া উচিত নয়। শুধু নিজের ছবিই নয়, ফতোয়া অনুযায়ী পরিবারের কারও ছবিই দেওয়া যাবে না। 
http://archive.is/gDblH , http://archive.is/Yit1c 
সউদি আরবের ছবি হারাম বিষয়ের ফতোয়াঃ  
http://archive.is/3bZCV
মসজিদে হারাম বা পবিত্র কাবাঘরের আঙিনা, তাওয়াফে কাবা এবং সায়ি করার স্থানসহ অন্যান্য ইবাদতস্থলে ছবি উঠানো ধর্মীয়ভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন সৌদির বিশিষ্ট আলেমগণ। সেখানে নিজের পরিচিতি বাড়ানো কিংবা অন্য উদ্দেশ্যে যারা ছবি তুলে, তারা ‘তাদের এবং অন্যদের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করে’ উল্লেখ করে সৌদি আলেমগণ এমন ফতোয়া জারি করেন।

সৌদির ‘আল আরাবিয়া’ সূত্রে আলেমগণ বলেন, মসজিদ আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা। এখানে দুনিয়ার কোনো কাজ-কর্ম করা বৈধ নয়। মসজিদে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর জিকির-আজকার ছাড়া অন্য কিছু করা জায়েয নেই।http://archive.is/GQcqF 

ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম কি নতুন কেউ ? (২)

গত শতাব্দীর মুযাদ্দিদ হযরত আবু বকর সিদ্দিক (ফুরফুরাহ) রহমতুল্লাহি উনার প্র্রধান খলিফা ছিলেন উনার দুই সম্মানিত পুত্র হযরত নাজমুস সাআদাত সিদ্দিকী রহমতুল্লাহি এবং হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিক রহমতুল্লাহি । উনাদের থেকে খিলাফত পেয়েছিলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার সম্মাানিত শায়েখ হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি। হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি ঐ সময় (৫০ এর দশক থেকে ৯৫ সালে উনার বেছাল শরীফ গ্রহণ) সনামধন্য আলেম ও বুজুর্গ। সমস্ত সিলসিলাহ লোকজন উনার কাছে যান। বর্তমানে যারা ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীতা করেন তারাও সেখানে সোহবতে গিয়ে বসে থাকতো। কওমীগুরু হাফেজ্জী, চর্মনাই, বায়তুল মোকাররমের খতিব উবাইসহ সকালের আনাগোনা ছিলো সেই দরবারে। সেই দরবার শরীফ-উনার মধ্যে ইলমে তাসাউফ অর্জন করতে যাতায়ত করেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার শায়েখ আলাইহিস সালাম। উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক তখন যুবক বয়সী। তিনি কোন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন নাই। কিন্তু সেই অতি সুন্দর যুবক বয়সী ব্যক্তি যখন যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশ করতেন, তখন ঐ দরবার শরীফ উনার শায়েখ দাড়িয়ে যেতেন। কখন কখন গেইট থেকে উনাকে এগিয়ে নিয়ে আসতেন। সুবহানাল্লাহ।

যেখানে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা নিষেধ

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি এমন কিছু নিয়ম চালু করেছেন, যা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য অনুসরনীয়-অনুকরনীয়।

বিশেষ করে উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা মুহম্মদীয়া জামিয়া শরীফ উনার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মাদ্রাসায় কোন শিক্ষক কোন ছাত্রকে শারীরিক শাস্তি দিতে বা মারতে পারবে না। বেত্রাঘাত, নীল ডাউন, কান মলে দেয়া, চামড়ায় চিমটি মারা সবই উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, ছাত্রদের তুমি-তুই বলা নিষিদ্ধ, সবাইকে ‘আপনি’ করে সম্বোধন হয়।

Wednesday, February 21, 2018

রাজারবাগ দরবার শরীফ যে কথা ১ যুগ আগে বলে, অন্য ধর্মীয় দলগুলো তা ১ যুগ পরেও বলতে পারে না


অনলাইনে আহলে হক মিডিয়া সার্ভিস নামক একটি পোর্টাল চালায় দেওবন্দী-কওমী গোষ্ঠী। এই পোর্টালে তারা মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়। গত ৩রা অক্টেবর ২০১৬ তারিখে আরিফুর রহমান পরাগ নামক এক ব্যক্তি সেই কথিত আহলে হক মিডিয়া বরাবর প্রশ্ন করে-
“কোকাকোলা বা পেপসি খাওয়া হালাল না হারাম ?”

Tuesday, February 20, 2018

ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম কি নতুন কেউ ? (১)


না তিনি মোটেও নতুন কেউ নন এবং হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা পীর সাহেবও নন। বরং তিনি এ বাংলায় বহু বছর ধরে চলে আসা হক্বপন্থী পীর আউলিয়া কিরাম উনাদের সিলসিলাহ বহন করছেন।

মূলত এ অঞ্চলে দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার হয়েছে হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে আগত সিলসিলাহগুলো থেকে। শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খলিফা ছিলেন হযরত শাহ আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার খলিফা ছিলেন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার খলিফা ছিলেন নূর মুহম্মদ নিজামপুরী রহমতুল্লাহি, উনার খলিফা ছিলেন হযরত আবু বকর সিদ্দিক (ফুরফুরাহ) রহমতুল্লাহি। বাংলাদেশে যতদল ইসলাম প্রচার করছে, আপনি একটি দলও খুজে পাবেন না, যারা এ সিলসিলাহগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন। রাজারবাগ শরীফ, শর্শীনা, দেওবন্দ, জৈনপুরী, ফুলতলী, সোনাকান্দা, চরমোনাই সবাই গিয়ে এই একটি সিলসিলাহর কোন না কোন অংশে সংযুক্ত হয়েছে।

Saturday, February 17, 2018

হজ্জে যেতে হারাম ছবি নয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হোক।

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীরা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার করে হজ্জ নিয়ে। 
তারা অপপ্রচার করে, “তিনি নাকি হজ্জ করেন না, এবং সবাইকে হজ্জে যেতে বাধা দেন।” নাউযুবিল্লাহ।


ধরুন, একদল খারাপ লোক আপনার বাসার পাশের মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান শুরু করছে। নাউযুবিল্লাহ। আপনি সবাইকে ডেকে বললেন, “ভাইসব ! দেখুন, মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান হচ্ছে, আসুন সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করি, তাহলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।”

খাবার অপচয় না করার শিক্ষা রাজারবাগ শরীফেই পাওয়া যায়

এমন কোন প্লেট নাই যে প্লেটে খাবারের অপচয় হয় না। ভাত-গোশত থেকে শুরু করে সবকিছু অপচয় হয়। ভাবখানা এমন যে, খাবার দেয়াই হয়েছে অপচয়ের জন্য। নাউযুবিল্লাহ।

কিন্তু তার ব্যতিক্রম দেখা ঢাকা রাজারবাগ শরীফে। ঢাকা রাজারবাগ শরীফে বিয়েসহ যে কোন অনুষ্ঠানে খাবার অপচয় রোধে এমন সুন্দর ব্যবস্থা নেয়া হয়, যা সবার জন্য অনুসরণীয়। উদাহরণস্বরূপ কিছুদিন পূর্বে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল উলা শরীফ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মীনিন আল উলা হযরত কুবরা আলাইহিস সালাম উনাদের সুমহান নিসবাতুল আযিম শরীফ (নিকাহ শরীফ) দিবস। ঐ দিন উপলক্ষে ১২টি আইটেম খাবার পরিবেশন করা হয়েছিলো। সবাই দস্তারখানায় নামাজের সুরতে বসে খাবার গ্রহণ করে। সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা অনুসারে এত সুন্দর ব্যবস্থা ছিলো যে একটা দানাও যদি নিচে পড়ে যাচ্ছে, তবুও সেটা তুলে খাওয়া হচ্ছিলো, প্লেটে সামান্য তরকারিও যদি লেগে থাকে তা চেটে খাওয়া হাচ্ছিলো। শিশু বাচ্চা যখন খেতে না পারছিলো, তার বাবা সেই খাদ্য শেষ করছিলো। একটি দানার ব্যাপারে যেন জারি হয়েছে রেড এ্যালার্ট।

সকল প্রশ্নের সঠিক জবাব রাজারবাগ শরীফ আসলেই পাবেন


গতকাল (লাইলাতুস সাবত) রাতে মুবারক সোহবতে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে একজন সুওয়াল (প্রশ্ন) করলেন-

১) প্রশ্নকারীর দাদা ও চাচাদের যৌথ ব্যবসা। সেই ব্যবসার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এক চাচাকে। কিন্তু দেখা গেলো ঐ চাচা ব্যবসার লাভ থেকে টাকা নিয়ে নিজের নামে সম্পত্তি করেছেন। এটা ঠিক হবে নাকি ?

“আমরা সুপ্রীমকোর্টের মূর্তি সরানোর জন্য অনেক আন্দোলন করছি, তোমরা রাজারবাগ কি করেছো ?”

অনেকে বলেছে, “আমরা সুপ্রীমকোর্টের মূর্তি সরানোর জন্য অনেক আন্দোলন করছি, তোমরা রাজারবাগ কি করেছো ?”

তাদেরকে বলবেন, 
চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে বসে অনেক গলা ফাটানো যায়, কিন্তু এতই যখন সাহস তখন ঢাকা সুপ্রীম কোর্টের ভেতর ঢুকে কিছু করতে পেরেছিলে কি ? পারো নাই, হাইকোর্টের গেইটের ভেতরে ঢুকে কিছু বলার সাহস তোমাদের নাই। কিন্তু ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে কোর্টের ভেতর ঢুকে সেই মূর্তির বিরুদ্ধে আইনীভাবে প্রতিবাদ করা হইছিলো, যা তোমরা স্বপ্নেও চিন্তা করতে পারবা না।

Monday, December 4, 2017

এবার ১২ই রবিউল আওওয়াল শরীফ উনার দিনে বাধা প্রাপ্তির ঘটনা দিয়ে প্রমাণিত হলো ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ উনার নিসবত (সম্পর্ক) কার সাথে

এবার ১২ই রবিউল আওওয়াল শরীফ উনার দিনে বাধা প্রাপ্তির ঘটনা দিয়ে প্রমাণিত হলো ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ উনার নিসবত (সম্পর্ক) কার সাথে
প্রতি জামানায় ওলী আল্লাহগণ আসবেনই। কিয়ামত অবধি চলবে সে ধারা। এ সমস্ত আউলিয়াকিরামগণকে কেউ চিনবেন, আবার কেউ বা বিরোধীতা করবে। বর্তমান জামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে প্রেরিত সে ধরনের একজন আউলিয়া কিরাম হচ্ছেন ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম।
প্রতি বছর সাইয়্যিদুল অাইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনে বাধা না আসলেও এ বছর কিন্তু ছিলো ভিন্ন পরিস্থিতি। এ বছর খ্রিস্টান ধর্মনেতা পোপের সফরকে কেন্দ্র করে ১২ই শরীফ উনার দিন অনুষ্ঠান পালনে বিধি নিষেধ আরোপ করেছিলো প্রশাসন। এ সম্পর্কে বিডিনিউজ২৪ এর খবরে প্রকাশ- “মিলাদুন্নবির শোভাযাত্রা কিংবা জশনে জুলুসের অনুমতি পুলিশ দিয়েছে কি না- জানতে চাইলে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আউটডোরে সভা-সমাবেশ করার কোনো অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। পোপ চলে যাওয়ার পর কেউ সভা-সমাবেশ করতে চাইলে করতে পারবেন।”

Saturday, November 18, 2017

বর্তমান কঠিন সংকটময় দুর্দিনে কাফির-মুশরিকদের অবর্ননীয় নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পেতে মুসলমান উনাদের করনীয় কি?


মুসলমানদের কোথায় একত্রিত হতে হবে ? 
====== 
১) শত্রু চিনতে হবে:
কাফিরদের নানান কায়দায় চক্রান্ত থেকে বাঁচতে মুসলমানদের প্রথমে শত্রু চিনতে হবে। আর এজন্য শত্রু সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ ভালোভাবে পাঠ করতে হবে এবং সেখান থেকে দৃঢ় আক্বীদা পোষণ করতে হবে কাফির-মুশরিকরা হচ্ছে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় শত্রু।আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা মানুষের মধ্যে তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীদেরকে। 

Monday, November 6, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীল ভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (২)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মূলত, হক্ব-নাহক্বের এ দ্বন্দ্ব, অর্থাৎ নাহক্ব কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং হক্ব-নাহক্ব-এর এ দ্বন্দ্ব প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় থেকেই চলে আসছে। দাজ্জালে কাযযাবদের অগ্রণী মালঊন, গোমরাহ ও চির জাহান্নামী ইবলীসই এ বিরোধিতার প্রবর্তক। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা দেখতে পাই আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ প্রায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার, মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার সম্মানিত নবী ও রসূল আলাইহিমুছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধিতা করেছে ওই ইবলীস শয়তানের অনুসারী ও গোলাম দাজ্জালে কাযযাবরা। শুধু তাই নয়; তারা প্রায় সত্তর হাজার হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতার মাত্রা যে কোন্ পর্যায়ের ছিল তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। বস্তুতঃ সেই বিরোধিতার নযীর ইতিহাসে দ্বিতীয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। উনাকে বলা হয়েছে যাদুকর, জিনে ধরা, পাগল, ধর্মত্যাগী ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
ঠিক একইভাবে বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা বজায় ছিল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে দুনিয়াতে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম মানুষ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতিও। বাতিল, গোমরাহ, দাজ্জালে কাযযাব, খারিজী ও রাফিযীরা উনাদেরকে আখ্যায়িত করেছে ক্ষমতালোভী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধ্বংস সাধনকারী, মুরতাদ, কাফির ইত্যাদি কুখ্যাতিতে। নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!
শুধু যে মিথ্যা রচনা, অপবাদ আর অশালীন ভাষায় কুৎসা রটনা করেছে তাই নয়। তারা শহীদ করেছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, তৃতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, চতুর্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে, আমীরুল মু’মিনীন বেহেস্তের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নয়নের মণি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং ইমামুল মুসলিমীন হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
বাতিল, গোমরাহ দাজ্জালে কাযযাবদের বিরোধিতা এখানেই থেমে থাকেনি। তাদের বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা প্রলম্বিত হয়েছিল তাবিয়ীন, তাবে-তাবিয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ ও হক্কানী রব্বানী আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতিও। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বিরোধিতা করেছে জগতখ্যাত আলিমে দ্বীন, সর্বশ্রেষ্ঠ ওলীয়ে কামিল, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার, তারা উনার লিখিত মহামূল্যবান কিতাব পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তারা বিরোধিতা করেছে গাউছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ্ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাউযুবিল্লাহ! এবং বিরোধিতা করেছে গত শতকের মুজাদ্দিদ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! 
আর বিশেষভাবে যিনি বিরোধিতার শিকার, তিনি হলেন আমাদেরই সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রতিষ্ঠাতা ইমামুল মুজতাহিদীন, ইমামুল আইম্মাহ, বাহ্রুল উলুম, হাকিমুল হাদীছ, ইমামে আ’যম ইমাম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার সম্মানিত শান-মান প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “হযরত ইমাম ছুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমরা ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এরূপ অবস্থায় আসতাম, যেরূপ চুড়–ই পাখি বাজ পাখির নিকট অবস্থান করে এবং নিশ্চয়ই ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন আলিম উনাদের মাথার তাজ মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
আল্লামা ইবনে খাল্লেক্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তারিখে খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি কি ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখেছিলেন? তদুত্তরে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরূপ একজন ব্যক্তি উনাকে দেখেছি যে, যদি তিনি এই স্তম্ভকে স্বর্ণের স্তম্ভরূপে প্রমাণ করতে চাইতেন, তবে যুক্তির মাধ্যমে তার প্রমাণ পেশ করতে পারতেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ফিক্বহ তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করে, তার জন্য কুফায় গমন করা ও হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ উনাদের ছোহবত মুবারক লাভ করা আবশ্যক।” সুবহানাল্লাহ! (চলবে ইনশাআল্লাহ)

Thursday, November 2, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীলভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (১)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন তিনি এ দুনিয়াকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত ক্বায়িম রাখবেন হক্বানী আলিম তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাধ্যমে। 
তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সব রূহ বা আত্মা উনাদেরকে সৃষ্টি করার পর একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি কি আপনাদের রব নই?” জবাবে রূহ্সমূহ উনারা বললেন, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রব।” তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি রূহ্সমূহ উনাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে রূহ্ সম্প্রদায়! আজ থেকে অনেকদিন পর আপনারা দুনিয়ায় যাবেন, দুনিয়ায় গিয়ে এ প্রতিজ্ঞার কথা ভুলবেন না।” একথা শুনে রূহ্ সম্প্রদায় বললেন, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমরা তো অনেক বছর পর দুনিয়াতে যাব, আর তখন আমাদের এ ওয়াদার কথা মনে নাও থাকতে পারে।” জবাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন বললেন, “আপনারা চিন্তা করবেন না, মূলতঃ আপনাদেরকে এ ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যেই আমি প্রতি যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করবো। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন পাঠানো শেষ হয়ে যাবে, তখন নায়িবে রসূল উনাদের তথা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাতে থাকবো।” সুবহানাল্লাহ!

Wednesday, October 25, 2017

" ইমামুস সিদ্দিকিন " লক্বব

সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিদ্দীক উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। এই কারণে উনাকে বলা হয় ইমামুস সিদ্দিকীন। অথচ  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম নিজের নামের সাথে এই উপাধি ব্যবহার করেন।

সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামদাবী স্বয়ং আল্লাহ পাক ও হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এই পীরালির দায়িত্ব দিয়েছে।

এটা সত্য । কিন্তু ও তবে ব্যপারটি ও বিদ্যমান । তিনি আল্লাহ পাক ও তার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খিলাফত প্রাপ্ত এবং উসীলা উনার পীর সাহেব তাজুল মুফাস্‌সিররীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, কুতুবুল আলম, মুফতিউল আ’যম হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী (যাত্রাবাড়ির হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি।

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার তিনি ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন নাউযুবিল্লাহ

* সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ব্যপারে অভিযগ রয়েছে, তিনি উনার ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন এবং এই নিয়ে মামলাও বিচারাধিন।নাউযুবিল্লাহ 
 অথচ উনার ভাইয়েরা উনাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য বহু চেষ্টা করছে ।  মূলতঃ উনার ভাই ও এসব অপপ্রচারের শামীল । তারা দলিল দিতে পারবে না তাই আমি দলিল দিচ্ছি । 
* ১৯৪৮ সালে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পিতা মরহুম সাইয়্যিদ মুহম্মদ মোখলেছুর রহমান আলাইহিস সালাম , উনার মাতার নামে ৫ আউটার সার্কুলার রোডস্থ হোল্ডিংয়ে ৪ বিঘা ১৪ আনা ৪ ছটাক জমি খরিদ করেন। 
* পরবর্তীতে সুখে শান্তিতে বসবাসরত অবস্থায় ১৯৮০ সালে ১.০৩ একর সম্পত্তিতে উনার মাতা নিজ নামে কিয়দাংশ রেখে অবশিষ্ট সম্পত্তি উনাদের ৫ পুত্র এবং ৪ কন্যার নামসহ উনাদের পিতার নামে দানপত্র করে নামজারী করে দেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মেঝ ভাই হাফিজুর রহমান বিদেশ থেকে এসে পারিবারিক সকল সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য সে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামসহ মোট ৫ ভাই এবং ৪ বোনকে নিয়ে ১৯৯১ সালে জেড আর এস্টেট প্রাঃ লিঃ কোম্পানী গঠন করে। 

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার' তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী'

*আত্নশুদ্ধি অর্জনের জন্য যে সাধনা করা হয়, তাকে বলা হয় তাসাউফ। রাজারবাগি পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম দাবি তিনি এই তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী ।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম  তিনি নিজে বলেছেন ?  দুইটা উত্তর দিবে-  
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি । 
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল । 
* বাতিল ফিরকাদের দাবি,  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে অপপ্রচার কায়্যুমুয যমান

*তার দাবী, সে কায়্যুমুয যমান তথা যমানার ধারক বাহক।
সত্য বলেছে । তিনি কায়্যুমুয যামান । একজন মুমিন ব্যক্তি কখন কায়্যুমুয যামান হয় ? যখন ঐ মুমিন ব্যক্তি নফল ইবাদত করতে করতে এমন এক পর্যায় যান যেখানে নৈকট্য রয়েছে ।
হাদিসে উল্লেখ আছে “ বান্দা নফল ইবাদত করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য হাসীল করে যে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে আমি তার মুখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে বলে আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে । “
এখানে লক্ষ্যণীয় যে উক্ত মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ হয়ে যান । কিন্তু হাকিক্কত নন । উপমাটা এরুপ যে একটি রশি দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত । তাকে একটি গিট । এখানে হাকিক্কত হলো মূল রশি গিট হলো মুমিন বান্দাটি ।
তো স্বাভাবিক ভাবেই তিনি কায়্যুমুয যামান । তাছাড়াও তিনি সম্মানিত ১২ ইমামদের একজন । এ বিষয়ে পরে বলছি । আশা করা যায় বিষয়টি বুজতে পেরেছেন ।
*সূর্য এবং চন্দ্র নাকি উনার অনুমতি ব্যতিত উদিত হয় না বা অস্ত যায় না।
এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা । উনি কখন এ কথা  বলেছেন ?
উত্তর একটাই না তিনি বলেন নি মূলত কায়্যুমুয যামান লকবের সূত্র ধরেই তারা এ কথা নিজ থেকে বলছে ।
তো এখানে কেন বানিয়ে বানিয়ে কথাটা বলল ?
“যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ করো ”
কারো সম্পর্কে তার অনুপস্থিতিতে বানিয়ে কথা বলা কি গীবতের মত বড় গূনাহ নয় !


Sunday, August 27, 2017

রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-১১ (১০). হিদায়েতের কার্যক্রম বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক:


(ক). খানকা শরীফ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা:
(ক-১). পবিত্র ইলমে তাছাউফ চর্চার জন্য পবিত্র দরবার শরীফ উনার মাঝে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘খানকা শরীফ’।
(ক-২). পবিত্র দরবার শরীফ উনার মাঝে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। রয়েছে বালক শাখা, বালিকা শাখা এবং হিফজখানা।
(ক-৩). বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মসজিদ, মাদরাসা, খানকা শরীফ, গবেষণাগার, ঈদগাহ, কবরস্থান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। ইত্যাদি
(খ). মাহফিল:
(খ-১). অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সায়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল জারি এবং উনার কার্যক্রম।