মহান
আল্লাহ পাক তিনি, উনার মহান খলীফা মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে সারা
কায়িনাতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়মত হিসেবে প্রেরন করেছেন। তিনিই দিচ্ছেন কায়িনাতবাসীর
প্রতিটি বিষয়ে সঠিক দিক নির্দেশনাসমূহ। উনার মুবারক দিক নির্দেশনা সমূহ
অনুসরন-অনুকরন করলেই দোজাহানে সর্বক্ষেত্রে কামিয়াবী থাকবে।
Showing posts with label মুজাদ্দিদ. Show all posts
Showing posts with label মুজাদ্দিদ. Show all posts
Friday, February 22, 2019
দেশের উন্নয়নের জন্য কতিপয় মুবারক দিক নির্দেশনাসমূহ
Tuesday, May 8, 2018
শবে বরাত নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারনা চালানোর অভিযোগে ৮ জনের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ পিস টিভির
আলোচক কাজী মুফতি ইব্রাহীম, কামালুদ্দীন জাফরী, ইমামুদ্দিন বিন আব্দুল বাছির, আব্দুর রাজ্জাক বিন
ইউসুফ, মাহমুদুল হাসান আল মাদানী, ড:
মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মুযাফফর বিন মুহসীন, শহীদুল্লাহ খান
মাদানীসহ আটজনের বিরুদ্ধে পবিত্র শবে বরাত নিয়ে মিথ্যা অবমাননাকর বক্তব্য ইউটিউবে
প্রচার করার অভিযোগে বাংলাদেশ সাইবার ট্রায়বুনাল, ঢাকায়
বিশেষ জজ আদালতে আজ (সোমবার) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর
৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে ৷ দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বায়্যিনাত পবিত্রকার
নির্বাহি সম্পাদক মুফতি আবুল খায়ের মুহম্মদ আযীযুল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
Sunday, February 25, 2018
KMT অনুসরন করুন
মুসলমানদের বর্তমান করুণ অবস্থার কারণ তারা নিজেদের সংষ্কৃতি ছেড়ে কাফিরদের সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে।
এ কথাটা মোটামুটি অনেকেই জানে এবং মুখে মুখে বলে, “মুসলমানদের উচিত নিজেদের সংস্কৃতি আকড়ে ধরা। ”
কিন্তু ‘কিভাবে ধরবে’ তার সদুত্তর কেউ দিতে পারে না।
কেউ যদি সত্যি চায়, কাফিরদের সংষ্কৃতি থেকে বের হয়ে মুসলমানদের সংস্কৃতিতে ফিরে আসবে, তবে আমার মনে হয়, তার উচিত ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসা। ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসলেই সে ১০০% কাফিরদের অনুসরণ থেকে বাচতে পারবে।
ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি কিভাবে কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে মুসলমানদের বের করে নিয়ে আসছেন ?
এর অসংখ্য উদাহরণ আছে। আমি শুধু একটি উদহারণ দিচ্ছি।
Friday, February 23, 2018
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম কি নতুন কেউ ? (২)
গত শতাব্দীর মুযাদ্দিদ হযরত আবু বকর সিদ্দিক (ফুরফুরাহ) রহমতুল্লাহি উনার প্র্রধান খলিফা ছিলেন উনার দুই সম্মানিত পুত্র হযরত নাজমুস সাআদাত সিদ্দিকী রহমতুল্লাহি এবং হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিক রহমতুল্লাহি । উনাদের থেকে খিলাফত পেয়েছিলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার সম্মাানিত শায়েখ হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি। হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি ঐ সময় (৫০ এর দশক থেকে ৯৫ সালে উনার বেছাল শরীফ গ্রহণ) সনামধন্য আলেম ও বুজুর্গ। সমস্ত সিলসিলাহ লোকজন উনার কাছে যান। বর্তমানে যারা ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীতা করেন তারাও সেখানে সোহবতে গিয়ে বসে থাকতো। কওমীগুরু হাফেজ্জী, চর্মনাই, বায়তুল মোকাররমের খতিব উবাইসহ সকালের আনাগোনা ছিলো সেই দরবারে। সেই দরবার শরীফ-উনার মধ্যে ইলমে তাসাউফ অর্জন করতে যাতায়ত করেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার শায়েখ আলাইহিস সালাম। উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক তখন যুবক বয়সী। তিনি কোন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন নাই। কিন্তু সেই অতি সুন্দর যুবক বয়সী ব্যক্তি যখন যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশ করতেন, তখন ঐ দরবার শরীফ উনার শায়েখ দাড়িয়ে যেতেন। কখন কখন গেইট থেকে উনাকে এগিয়ে নিয়ে আসতেন। সুবহানাল্লাহ।
Labels:
পীর,
মুজাদ্দিদ,
রাজারবাগ,
রাজারবাগের পীর সাহেব
যেখানে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা নিষেধ
রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি এমন কিছু নিয়ম চালু করেছেন, যা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য অনুসরনীয়-অনুকরনীয়।
বিশেষ করে উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা মুহম্মদীয়া জামিয়া শরীফ উনার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মাদ্রাসায় কোন শিক্ষক কোন ছাত্রকে শারীরিক শাস্তি দিতে বা মারতে পারবে না। বেত্রাঘাত, নীল ডাউন, কান মলে দেয়া, চামড়ায় চিমটি মারা সবই উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, ছাত্রদের তুমি-তুই বলা নিষিদ্ধ, সবাইকে ‘আপনি’ করে সম্বোধন হয়।
Wednesday, February 21, 2018
রাজারবাগ দরবার শরীফ যে কথা ১ যুগ আগে বলে, অন্য ধর্মীয় দলগুলো তা ১ যুগ পরেও বলতে পারে না
অনলাইনে আহলে হক মিডিয়া সার্ভিস নামক একটি পোর্টাল চালায় দেওবন্দী-কওমী গোষ্ঠী। এই পোর্টালে তারা মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়। গত ৩রা অক্টেবর ২০১৬ তারিখে আরিফুর রহমান পরাগ নামক এক ব্যক্তি সেই কথিত আহলে হক মিডিয়া বরাবর প্রশ্ন করে-
“কোকাকোলা বা পেপসি খাওয়া হালাল না হারাম ?”
Saturday, February 17, 2018
হজ্জে যেতে হারাম ছবি নয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হোক।
রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীরা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার করে হজ্জ নিয়ে।
তারা অপপ্রচার করে, “তিনি নাকি হজ্জ করেন না, এবং সবাইকে হজ্জে যেতে বাধা দেন।” নাউযুবিল্লাহ।
ধরুন, একদল খারাপ লোক আপনার বাসার পাশের মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান শুরু করছে। নাউযুবিল্লাহ। আপনি সবাইকে ডেকে বললেন, “ভাইসব ! দেখুন, মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান হচ্ছে, আসুন সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করি, তাহলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।”
Tuesday, February 13, 2018
রাজারবাগ শরীফ উনার দেয়া তথ্য নিয়েই সৃষ্টি হয়েছিলো হেফাজতে ইসলাম
হেফজত তথা কওমীরা প্রায় বলবে- “আমরা ৫ই মে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে শাপলা চত্বরে আন্দোলন করেছি, তোমরা রাজারবাগ দরবার শরীফের লোকজন কি করেছো ? “
যে সব হেফাজতি-কওমী এসব কথা বলবে, দয়া করে তাদের ২০১৫ সালের ২৪শে মে তারিখের দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকাটি পড়তে বলবেন। সেই দিন “'হেফাজতে ইসলাম কোনো ব্লগারের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেয়নি' শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়, সেখানে হেফাজত প্রধান শফী নিজ মুখে বলে, “২০১৩ সালের ৩১ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে যে ৮৪ জন ব্লগারের তালিকা দেওয়া হয়, তা মাসিক আল-বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল-ইহসান পত্রিকার সম্পাদক এবং আনজুমানে আল-বাইয়্যিনাতের কেন্দ্রীয় আহবায়ক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম আরিফের নেতৃত্বে দেওয়া হয়েছিল। তিনি হেফাজতে ইসলামের কেউ নন এবং উক্ত বৈঠকে হেফাজতের কোনো নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেননি।” (http://www.kalerkantho.com/online/national/2015/05/24/225716)
হেফাজতের শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় এক সাংবাদিক হেফাজতের এক এক নেতাকে জিজ্ঞেস করে : “ব্লগ কি ?”
উত্তরে হেফাজত নেতা বলেছিলো- “ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালায়।”
যাদের ব্লগ কিংবা ইন্টারনেট সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলো না, তারা কোন ব্লগে কোন নাস্তিক কখন নাস্তিকতা করেছে, সে সম্পর্কে জানবে কিভাবে ?
হ্যা, নাস্তিকরা যে ব্লগে নাস্তিকতা করছিলো, সেটা ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার সম্পাদক আল্লামা মুহম্মদ মাহবুবুল আলম সাহেব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের বৈঠকে দলিল-প্রমাণ দিয়ে জানিয়েছিলেন। আর সেই দলিলের ভিত্তি করেই নাস্তিকদের নামে মামলা ও গ্রেফতার হয় এবং ২০১৩ সালের ৬ই এপ্রিল ও ৫ই মে আন্দোলনে নামে হেফাজত। সেই নাস্তিকবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিতি পায় হেফাজত।
তারমানে সূত্রমতে, রাজারবাগ শরীফ উনার দেয়া তথ্য নিয়েই সৃষ্টি হয়েছিলো হেফাজতে ইসলাম। তাই রাজারবাগ শরীফ দ্বীন ইসলাম উনার জন্য কি করছে, সেটা বোঝার ক্ষমতাও হেফাজত-কওমীদের নেই।
Monday, November 6, 2017
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীল ভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (২)
বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মূলত, হক্ব-নাহক্বের এ দ্বন্দ্ব, অর্থাৎ নাহক্ব কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং হক্ব-নাহক্ব-এর এ দ্বন্দ্ব প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় থেকেই চলে আসছে। দাজ্জালে কাযযাবদের অগ্রণী মালঊন, গোমরাহ ও চির জাহান্নামী ইবলীসই এ বিরোধিতার প্রবর্তক। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা দেখতে পাই আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ প্রায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার, মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার সম্মানিত নবী ও রসূল আলাইহিমুছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধিতা করেছে ওই ইবলীস শয়তানের অনুসারী ও গোলাম দাজ্জালে কাযযাবরা। শুধু তাই নয়; তারা প্রায় সত্তর হাজার হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতার মাত্রা যে কোন্ পর্যায়ের ছিল তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। বস্তুতঃ সেই বিরোধিতার নযীর ইতিহাসে দ্বিতীয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। উনাকে বলা হয়েছে যাদুকর, জিনে ধরা, পাগল, ধর্মত্যাগী ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
ঠিক একইভাবে বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা বজায় ছিল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে দুনিয়াতে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম মানুষ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতিও। বাতিল, গোমরাহ, দাজ্জালে কাযযাব, খারিজী ও রাফিযীরা উনাদেরকে আখ্যায়িত করেছে ক্ষমতালোভী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধ্বংস সাধনকারী, মুরতাদ, কাফির ইত্যাদি কুখ্যাতিতে। নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!
শুধু যে মিথ্যা রচনা, অপবাদ আর অশালীন ভাষায় কুৎসা রটনা করেছে তাই নয়। তারা শহীদ করেছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, তৃতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, চতুর্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে, আমীরুল মু’মিনীন বেহেস্তের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নয়নের মণি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং ইমামুল মুসলিমীন হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
বাতিল, গোমরাহ দাজ্জালে কাযযাবদের বিরোধিতা এখানেই থেমে থাকেনি। তাদের বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা প্রলম্বিত হয়েছিল তাবিয়ীন, তাবে-তাবিয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ ও হক্কানী রব্বানী আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতিও। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বিরোধিতা করেছে জগতখ্যাত আলিমে দ্বীন, সর্বশ্রেষ্ঠ ওলীয়ে কামিল, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার, তারা উনার লিখিত মহামূল্যবান কিতাব পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তারা বিরোধিতা করেছে গাউছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ্ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাউযুবিল্লাহ! এবং বিরোধিতা করেছে গত শতকের মুজাদ্দিদ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ!
আর বিশেষভাবে যিনি বিরোধিতার শিকার, তিনি হলেন আমাদেরই সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রতিষ্ঠাতা ইমামুল মুজতাহিদীন, ইমামুল আইম্মাহ, বাহ্রুল উলুম, হাকিমুল হাদীছ, ইমামে আ’যম ইমাম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার সম্মানিত শান-মান প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “হযরত ইমাম ছুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমরা ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এরূপ অবস্থায় আসতাম, যেরূপ চুড়–ই পাখি বাজ পাখির নিকট অবস্থান করে এবং নিশ্চয়ই ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন আলিম উনাদের মাথার তাজ মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
আল্লামা ইবনে খাল্লেক্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তারিখে খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি কি ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখেছিলেন? তদুত্তরে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরূপ একজন ব্যক্তি উনাকে দেখেছি যে, যদি তিনি এই স্তম্ভকে স্বর্ণের স্তম্ভরূপে প্রমাণ করতে চাইতেন, তবে যুক্তির মাধ্যমে তার প্রমাণ পেশ করতে পারতেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ফিক্বহ তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করে, তার জন্য কুফায় গমন করা ও হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ উনাদের ছোহবত মুবারক লাভ করা আবশ্যক।” সুবহানাল্লাহ! (চলবে ইনশাআল্লাহ)
Thursday, November 2, 2017
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীলভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (১)
বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন তিনি এ দুনিয়াকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত ক্বায়িম রাখবেন হক্বানী আলিম তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাধ্যমে।
তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সব রূহ বা আত্মা উনাদেরকে সৃষ্টি করার পর একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি কি আপনাদের রব নই?” জবাবে রূহ্সমূহ উনারা বললেন, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রব।” তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি রূহ্সমূহ উনাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে রূহ্ সম্প্রদায়! আজ থেকে অনেকদিন পর আপনারা দুনিয়ায় যাবেন, দুনিয়ায় গিয়ে এ প্রতিজ্ঞার কথা ভুলবেন না।” একথা শুনে রূহ্ সম্প্রদায় বললেন, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমরা তো অনেক বছর পর দুনিয়াতে যাব, আর তখন আমাদের এ ওয়াদার কথা মনে নাও থাকতে পারে।” জবাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন বললেন, “আপনারা চিন্তা করবেন না, মূলতঃ আপনাদেরকে এ ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যেই আমি প্রতি যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করবো। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন পাঠানো শেষ হয়ে যাবে, তখন নায়িবে রসূল উনাদের তথা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাতে থাকবো।” সুবহানাল্লাহ!
Wednesday, October 25, 2017
" ইমামুস সিদ্দিকিন " লক্বব
সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিদ্দীক উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। এই কারণে উনাকে বলা হয় ইমামুস সিদ্দিকীন। অথচ সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম নিজের নামের সাথে এই উপাধি ব্যবহার করেন।
রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার' তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী'
*আত্নশুদ্ধি অর্জনের জন্য যে সাধনা করা হয়, তাকে বলা হয় তাসাউফ। রাজারবাগি পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম দাবি তিনি এই তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী ।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজে বলেছেন ? দুইটা উত্তর দিবে-
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি ।
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল ।
* বাতিল ফিরকাদের দাবি, সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজে বলেছেন ? দুইটা উত্তর দিবে-
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি ।
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল ।
* বাতিল ফিরকাদের দাবি, সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।
Labels:
উপমহাদেশের পীর সাহবে,
মুজাদ্দিদ,
রাজারবাগ,
রাজারবাগ দরবার
রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে অপপ্রচার কায়্যুমুয যমান
*তার দাবী, সে কায়্যুমুয যমান তথা যমানার ধারক বাহক।
সত্য বলেছে । তিনি কায়্যুমুয যামান । একজন মুমিন ব্যক্তি কখন কায়্যুমুয যামান হয় ? যখন ঐ মুমিন ব্যক্তি নফল ইবাদত করতে করতে এমন এক পর্যায় যান যেখানে নৈকট্য রয়েছে ।
হাদিসে উল্লেখ আছে “ বান্দা নফল ইবাদত করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য হাসীল করে যে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে আমি তার মুখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে বলে আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে । “
এখানে লক্ষ্যণীয় যে উক্ত মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ হয়ে যান । কিন্তু হাকিক্কত নন । উপমাটা এরুপ যে একটি রশি দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত । তাকে একটি গিট । এখানে হাকিক্কত হলো মূল রশি গিট হলো মুমিন বান্দাটি ।
তো স্বাভাবিক ভাবেই তিনি কায়্যুমুয যামান । তাছাড়াও তিনি সম্মানিত ১২ ইমামদের একজন । এ বিষয়ে পরে বলছি । আশা করা যায় বিষয়টি বুজতে পেরেছেন ।
*সূর্য এবং চন্দ্র নাকি উনার অনুমতি ব্যতিত উদিত হয় না বা অস্ত যায় না।
এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা । উনি কখন এ কথা বলেছেন ?
উত্তর একটাই না তিনি বলেন নি মূলত কায়্যুমুয যামান লকবের সূত্র ধরেই তারা এ কথা নিজ থেকে বলছে ।
তো এখানে কেন বানিয়ে বানিয়ে কথাটা বলল ?
“যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ করো ”
কারো সম্পর্কে তার অনুপস্থিতিতে বানিয়ে কথা বলা কি গীবতের মত বড় গূনাহ নয় !
সত্য বলেছে । তিনি কায়্যুমুয যামান । একজন মুমিন ব্যক্তি কখন কায়্যুমুয যামান হয় ? যখন ঐ মুমিন ব্যক্তি নফল ইবাদত করতে করতে এমন এক পর্যায় যান যেখানে নৈকট্য রয়েছে ।
হাদিসে উল্লেখ আছে “ বান্দা নফল ইবাদত করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য হাসীল করে যে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে আমি তার মুখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে বলে আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে । “
এখানে লক্ষ্যণীয় যে উক্ত মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ হয়ে যান । কিন্তু হাকিক্কত নন । উপমাটা এরুপ যে একটি রশি দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত । তাকে একটি গিট । এখানে হাকিক্কত হলো মূল রশি গিট হলো মুমিন বান্দাটি ।
তো স্বাভাবিক ভাবেই তিনি কায়্যুমুয যামান । তাছাড়াও তিনি সম্মানিত ১২ ইমামদের একজন । এ বিষয়ে পরে বলছি । আশা করা যায় বিষয়টি বুজতে পেরেছেন ।
*সূর্য এবং চন্দ্র নাকি উনার অনুমতি ব্যতিত উদিত হয় না বা অস্ত যায় না।
এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা । উনি কখন এ কথা বলেছেন ?
উত্তর একটাই না তিনি বলেন নি মূলত কায়্যুমুয যামান লকবের সূত্র ধরেই তারা এ কথা নিজ থেকে বলছে ।
তো এখানে কেন বানিয়ে বানিয়ে কথাটা বলল ?
“যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ করো ”
কারো সম্পর্কে তার অনুপস্থিতিতে বানিয়ে কথা বলা কি গীবতের মত বড় গূনাহ নয় !
Friday, September 29, 2017
রাজারবাগ শরীফ থেকে প্রকাশ্যে বাহাছের চ্যালেঞ্জ
হক্বের বিরোধীতা সৃষ্টির শুরু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। আর এটা হচ্ছে একটা স্বাভাবিক নিয়ম। নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধীতা হয়েছিল। স্বয়ং আখেরী রসূল, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও বিরোধীতা হয়েছে। পরবর্তীতে হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের, ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাহি উনাদের ও বিরোধীতা হয়েছিলো। এর ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে কিয়ামত অবধি।
একই ধারাবাহিকতায় খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও বিরোধীতায় লিপ্ত রয়েছে কতিপয় ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক, গোমরাহ, কাফির-মুশরিকদের উচ্ছিষ্ট ভোগী।
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম যমানার লক্ষস্থল ওলী আল্লাহ। সে কারনেই উনি কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ইজমা এবং ক্বিয়াস এর উপর পরিপূর্ন প্রতিষ্ঠিত।
Labels:
আউলিয়া,
ওলি আল্লাহ,
মুজাদ্দিদ,
মুনাজাত,
শিক্ষা
Thursday, September 14, 2017
রোহিঙ্গা সহ সারা পৃথিবীব্যাপী অকাতরে মুসলমান শহীদ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার অবস্থান
ইদানিং রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে কিছু বিরোধী মহল বলতে চায় যে, সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কি করা হচ্ছে…?
এর জবাবে বলতে হয়, ‘পেঁচা কখনো সূর্য দেখতে পায়না, সেজন্য কি সূর্য উদিত হয়না? সূর্য ঠিকই উদিত হয় কিন্তু পেঁচা সেটা দেখার যোগ্যতাই রাখেনা।
উল্লেখিত মূর্খলোকদের অবস্থাটা হচ্ছে, সেই পেঁচা আর কুয়োর ব্যাঙের মতো। তারা চোখে কাঠের চশমা পড়ে থাকে তাই সামনে সংঘঠিত বিষয় সম্পর্কে তারা অবগত নয়। মূলতঃ এদের কাছে রোহিঙ্গা নির্যাতন প্রকৃত ইস্যু নয় বরং প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিভিন্ন সুতানাতায় সত্যটাকে লুকাননো এবং সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার বিররোধিতা করা। বিরোধী মহলের নানান মিথ্যা অপবাদ-অপপ্রচার করা সত্ত্বেও তার শরীয়তসম্মত জবাব দিয়ে ‘সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা’ দুর্বার গতিতে দিক-বেদিক ছড়িয়ে পড়ছেন, হক্ব তালাশী মুসলমান সেটা অত্যন্ত তা’যীম-সম্মানের সহিত গ্রহণ করছেন। আজ যার উছীলায় প্রত্যেকেই নিজেকে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্তাক্বী ও আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়ার কোশশে নিয়োজিত হচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ্, যার কারণে উনারা সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনাকে সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ হক্ব দরবার শরীফ হিসেবে মূল্যয়ন করছেন।
Sunday, August 27, 2017
রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-১১ (১০). হিদায়েতের কার্যক্রম বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক:
(ক). খানকা শরীফ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা:
(ক-১). পবিত্র ইলমে তাছাউফ চর্চার জন্য পবিত্র দরবার শরীফ উনার মাঝে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘খানকা শরীফ’।
(ক-২). পবিত্র দরবার শরীফ উনার মাঝে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। রয়েছে বালক শাখা, বালিকা শাখা এবং হিফজখানা।
(ক-৩). বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মসজিদ, মাদরাসা, খানকা শরীফ, গবেষণাগার, ঈদগাহ, কবরস্থান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। ইত্যাদি
(খ). মাহফিল:
(খ-১). অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সায়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল জারি এবং উনার কার্যক্রম।
রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-১০ (৯). আযীমুশ্ শান মুবারক দফতর শরীফ- হিদায়েত বিস্তারের এক অনন্য দিক:
পূর্ববর্তী হযরত আউলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের হিদায়েতের কার্যক্রম বিস্তৃত ছিল মূলত খানকা শরীফ ভিত্তিক বা উনাদের তালিমগাহ নির্ভর। পবিত্র ইলমে তাসাউফ উনার কিতাবসমূহ থেকে যা বোঝা যায়, উনারা পবিত্র ইলমে তাসাউফ উনার শিক্ষার উপরই বেশি প্রাধান্য দিতেন। এর যথেষ্ট কারণও আছে। মুসলিম প্রাধান্যযুক্ত অঞ্চলসমূহে পরিপূর্ণ খিলাফত ব্যবস্থা না থাকলেও শাসকগণ পবিত্র শরীয়ত উনার অনুশাসনসমূহ জানতেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতেন। পবিত্র যাকাত ব্যবস্থা, মসজিদ-মাদরাসার সম্প্রসারণ, উশর আদায়, আলিম-উলামাগণ উনাদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তালিম-তালকীনের ব্যবস্থাও মুসলিম সুলতান ও বাদশাহর পক্ষ থেকেই হতো।
Labels:
আউলিয়া,
ওলি আল্লাহ,
দরবার শরীফ,
পীর,
মুজাদ্দিদ
রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-৯ (৮). রাজারবাগ শরীফ সিলসিলার আক্বীদা মূলত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বীদা:
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা বিস্তারিত ব্যাখ্যা মূলত করেছেন- হযরত ইমাম আবুল মনসুর মাতুরিদি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আবুল হাছান আশয়ারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। অতঃপর পরবর্তীতে অন্যান্যরা। তবে হযরত ইমাম আশয়ারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আক্বায়িদ হচ্ছে- মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাব অনুযায়ী। আর হযরত ইমাম মাতুরিদি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার আক্বীদায় বিশ্বাসী ছিলেন এবং হানাফী মাযহাব উনার আক্বীদাকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।
রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-৮ (৭). হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কার্যক্রমের ব্যাপ্তি
একজন সম্মানিত মুজাদ্দিদ উনার কার্যক্রমের ব্যাপ্তি কেবল জানেন স্বয়ং যিনি মুজাদ্দিদ তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি।
একজন মহান মুজাদ্দিদ উনার সম্মানিত হায়াত মুবারকে যা তাজদীদ মুবারক করেন তা কেবল উনার সময়কালে সীমাবদ্ধ থাকে না, তা কাল পেরিয়ে চলতে থাকে দীর্ঘ সময়ব্যাপী। তবে এটা সহজে এভাবে বলা যেতে পারে- যেহেতু মহান আল্লাহ পাক তিনি ১০০ বছর পরপর একজন সম্মানিত মুজাদ্দিদ উনাকে পাঠান, তার অর্থ কমপক্ষে ১০০ বছর ধরে ওই মহান মুজাদ্দিদ উনার তাজদীদ মুবারকের এক ধরনের প্রচ্ছন্ন ব্যাপকতা থাকে। তারপর ধীরে ধীরে মানুষ সেখানে বিভ্রান্তি প্রবেশ করায়। আবার বলা হয়- ৫০০ বছর এবং হাজার বছর পরপর যিনি মুজাদ্দিদ হিসেবে প্রকাশিত হন, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সাথে নিসবত-কুরবত উনার দিক থেকে অনেক বেশি দৃঢ় হয়ে থাকেন। ফলে উনাদের কার্যক্রম আরো ব্যাপক হয়ে থাকে।
Labels:
আউলিয়া,
ওলি আল্লাহ,
দরবার শরীফ,
পীর,
মুজাদ্দিদ
রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-৭ (৬). সুন্নতী মাসজিদ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে দুই মহান ওলীআল্লাহ উনাদের প্রতি মহান নির্দেশ মুবারক:
পাঠক, আলোচনার সুবিধার্থে আমাদের জানা প্রয়োজন- রাজারবাগ শরীফ উনার মহান মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম, যিনি ১৫ শতকের সম্মানিত মুজাদ্দিদ আলাইহিস সালাম। উনার সম্মানিত পিতা, মহান আল্লাহ পাক উনার মহান ওলী, আওলাদে রসূল, বিশিষ্ট বুযুর্গ, কুতুবুজ্জামান হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলিছুর রহমান আলাইহিস সালাম উনাকে সম্বোধন করা হয় ‘হযরত দাদা হুযূর কিবলা আলাইহিস সালাম’ হিসেবে। আর উনার সম্মানিত শায়েখ শাহ ছুফী হযরত মাওলানা মুহম্মদ ওয়াজিউল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি অবস্থান করতেন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে। উনি যাত্রাবাড়ীর পীর ছাহেব ক্বিবলা (শায়েখ ক্বিবলা) হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। সম্মানিত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন যাত্রাবাড়ী থেকে রাজারবাগ শরীফ এসে দেখা করেন ১৫ শতকের সম্মানিত মুজাদ্দিদ, আওলাদে রসূল, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা এবং বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে।
Labels:
আউলিয়া,
ওলি আল্লাহ,
দরবার শরীফ,
পীর,
মুজাদ্দিদ
Subscribe to:
Posts (Atom)