Showing posts with label মুনাজাত. Show all posts
Showing posts with label মুনাজাত. Show all posts

Saturday, February 17, 2018

হজ্জে যেতে হারাম ছবি নয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হোক।

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীরা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার করে হজ্জ নিয়ে। 
তারা অপপ্রচার করে, “তিনি নাকি হজ্জ করেন না, এবং সবাইকে হজ্জে যেতে বাধা দেন।” নাউযুবিল্লাহ।


ধরুন, একদল খারাপ লোক আপনার বাসার পাশের মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান শুরু করছে। নাউযুবিল্লাহ। আপনি সবাইকে ডেকে বললেন, “ভাইসব ! দেখুন, মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান হচ্ছে, আসুন সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করি, তাহলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।”

Thursday, November 2, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীলভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (১)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন তিনি এ দুনিয়াকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত ক্বায়িম রাখবেন হক্বানী আলিম তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাধ্যমে। 
তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সব রূহ বা আত্মা উনাদেরকে সৃষ্টি করার পর একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি কি আপনাদের রব নই?” জবাবে রূহ্সমূহ উনারা বললেন, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রব।” তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি রূহ্সমূহ উনাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে রূহ্ সম্প্রদায়! আজ থেকে অনেকদিন পর আপনারা দুনিয়ায় যাবেন, দুনিয়ায় গিয়ে এ প্রতিজ্ঞার কথা ভুলবেন না।” একথা শুনে রূহ্ সম্প্রদায় বললেন, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমরা তো অনেক বছর পর দুনিয়াতে যাব, আর তখন আমাদের এ ওয়াদার কথা মনে নাও থাকতে পারে।” জবাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন বললেন, “আপনারা চিন্তা করবেন না, মূলতঃ আপনাদেরকে এ ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যেই আমি প্রতি যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করবো। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন পাঠানো শেষ হয়ে যাবে, তখন নায়িবে রসূল উনাদের তথা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাতে থাকবো।” সুবহানাল্লাহ!

Friday, September 29, 2017

রাজারবাগ শরীফ থেকে প্রকাশ্যে বাহাছের চ্যালেঞ্জ

হক্বের বিরোধীতা সৃষ্টির শুরু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। আর এটা হচ্ছে একটা স্বাভাবিক নিয়ম। নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধীতা হয়েছিল। স্বয়ং আখেরী রসূল, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও বিরোধীতা হয়েছে। পরবর্তীতে হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের, ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাহি উনাদের ও বিরোধীতা হয়েছিলো। এর ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে কিয়ামত অবধি।
একই ধারাবাহিকতায় খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও বিরোধীতায় লিপ্ত রয়েছে কতিপয় ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক, গোমরাহ, কাফির-মুশরিকদের উচ্ছিষ্ট ভোগী।
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম যমানার লক্ষস্থল ওলী আল্লাহ। সে কারনেই উনি কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ইজমা এবং ক্বিয়াস এর উপর পরিপূর্ন প্রতিষ্ঠিত।

Sunday, September 24, 2017

কাফিরদের প্রতি বদদোয়া


আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনার প্রতি কারো কোন হক্ব নেই। তারপরেও আপনি নিজেই বলেন, আপনার হক্ব হচ্ছে মুমিনদেরকে সাহায্য করা। এখন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান আমরা সকলেই আপনার গায়েবী মদদ, আপনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গায়েবী ইহসানের দিকে রুজু হয়ে রয়েছি। আমাদের কোন ব্যবস্থা নেই আয় মহান আল্লাহ পাক! মুসলমানদের কোন ব্যবস্থা নেই, মুসলমানদেরকে কঠিন কষ্ট দেয়া হচ্ছে, অত্যাচার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, বরদাশতের বাইরে যুলুম করা হচ্ছে আয় মহান আল্লাহ পাক! হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম তিনি ক্বাবা শরীফ উনাকে আপনার নিকট সোপর্দ করেছিলেন আপনি মালিক হওয়ার পরেও অতঃপর আপনি গ্রহণ করেছিলেন এবং হিফাযতও করেছিলেন। আয় মহান আল্লাহ পাক! এখনতো দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কঠিন অবস্থার সম্মুখীন আপনাকে মানার কারণে, আপনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানার কারণে এরা যুলুম করে যাচ্ছে। আয় বারে ইলাহী!

Tuesday, December 15, 2015

রাজারবাগ পীর সাহেবের মুনাজাত

কিছুদিন আগে ঢাকাস্থ রাজারবাগ এলাকায় ৫ আউটার সার্কুলার রোডে অবস্থিত রাজারবাগ দরবাবে যাওয়া হয়েছিলো। সেখানে একটি মাহফিল চলছিল, আমার এক বন্ধু আমাকে সেখানে নিয়ে যায়। আমিও তার সাথে সানন্দে গিয়েছিলাম। আসলে, দেশের কোথাও ইসলামী মাহফিল হলে সেখানে এটেন্ড করার সুযোগ থাকলে আমি মিস করি না। সবগুলো হয়ত পারি না, কিন্তু যেখানে যাওয়ার সুযোগ হয়, সেটা আমি ছাড়ি না।
যাই হোক, মাহফিলের মোনাজাত অংশটি নিয়ে আমার এ স্ট্যাটাস। মোনাজাত পরিচালনা করছিলেন রাজারবাগ দরবারের পীর সাহেব। দীর্ঘ সময় মোনাজাত চলেছিলো। আমি মোনাজাত করার করার চেয়ে মোনাজাতের কথাগুলোর দিয়ে বেশি খেয়াল করছিলাম। মোনাজাতের কথাগুলোগুলো শুনে আমার অন্তরে বেশ নাড়া খায়। সত্যিই বলতে, বর্তমান মুসলমান জাতির যে কঠিন অবস্থা, মুসলমানদের উপর সারা বিশ্বজুড়ে যে নির্যাতন-নিপীড়ন হচ্ছে, সেটার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বলার লোক খুব কমই আছে। বিশেষ করে কোন মাহফিলে আমি পাইনি- সারা বিশ্বের মুসলমাদের পক্ষ নিয়ে এভাবে দোয়া করতে। কিন্তু সেই দিন আমি অবাক হয়, ঐ মোনাজাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে সারা বিশ্বের মুসলমানদের পক্ষ নিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা’র দরবারে গগন বিরারি কণ্ঠে মোনাজাত করা হচ্ছিলো। ইরাক-আফগানিস্তান-ফিলিস্তিন-ভারতসহ সারা বিশ্বে মুসলমানদের যে নৃংশসভাবে হত্যা করা হচ্ছে, নিপীড়ন করা হচ্ছে সেখান থেকে মুসলমাদের হেফাজত করার জন্য দোয়া করা হয় মোনাজাতে। একই সাথে কাফেররা যে বিভিন্ন দেশে আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজির বিরুদ্ধে ব্যঙ্গচিত্র আঁকছে সেটা নিয়েও মহান আল্লাহ’র দরবারে বিচার দেওয়া হয় এবং দোয়ায় বলা হয়- যদি জুমুলকারী কাফেরদের নসিবে হেদায়তে থাকে, তবে যেন আল্লাহ তায়ালা তাদের হেদায়েত দেন, আর যদি হেদায়েত না থাকে তবে যেন আল্লাহ তায়ালা তাদের আবরাহা বাহিনীর মত ধ্বংস করে দেন। তারা যেন আর মুসলমানদের কষ্ট না দিতে পারে, ব্যঙ্গচিত্র অঙ্গন করতে না পারে সেই দোয়াই করা হয়।
সত্যিই বলতে, বর্তমান সময়ে অনেক আলেম আছেন এটা ঠিক, কিন্তু সরাসরি সারা বিশ্বের মুসলমানদের পক্ষ নিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট এমন মর্মস্পর্ষী দোয়া করতে আমি আর দেখিনি। আপনাদের যদি সম্ভব হয়, তবে চেষ্টা করবেন সেই দোয়ায় কখন উপস্থিত হতে।