Showing posts with label রাজারবাগ দরবার. Show all posts
Showing posts with label রাজারবাগ দরবার. Show all posts

Sunday, February 10, 2019

“আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম”।


বর্তমান সময়ের যিনি সম্মানিত মুজাদ্দিদ, হযরত মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি কাফির-মুশরিক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের এইসব অপকৌশল সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে অবগত। তিনি এই বাংলাদেশের আদালতে চাপিয়ে দেয়া বৃটিশ বেনিয়াদের রচিত মনগড়া আইনের ফাঁকফোকর জেনে তাদের তৈরি অস্ত্র প্রয়োগ করেই এদের প্রতিহত করার জন্য শুরু করেন আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম

এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের আকিদা বিশুদ্ধ করে ঈমান হিফাজত করা। আইনী কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত মানুষদের সম্মানিত শরীয়ত সম্পর্কে নেই স্পষ্ট ধারণা আবার যাদের ছিটেফোঁটা যাও আছে সাম্রাজ্যবাদীদের প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে তারা সঠিক ইসলাম উনাকে উপস্থাপন করতে ভয় পায় ফলে এরই ফাঁক দিয়ে তারা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ।

Saturday, February 17, 2018

সকল প্রশ্নের সঠিক জবাব রাজারবাগ শরীফ আসলেই পাবেন


গতকাল (লাইলাতুস সাবত) রাতে মুবারক সোহবতে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে একজন সুওয়াল (প্রশ্ন) করলেন-

১) প্রশ্নকারীর দাদা ও চাচাদের যৌথ ব্যবসা। সেই ব্যবসার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এক চাচাকে। কিন্তু দেখা গেলো ঐ চাচা ব্যবসার লাভ থেকে টাকা নিয়ে নিজের নামে সম্পত্তি করেছেন। এটা ঠিক হবে নাকি ?

Thursday, February 15, 2018

রাজারবাগ শরীফ উনার যারাই ক্ষতি করতে আসবে উল্টো তারাই লাঞ্চিত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। সুবহানাল্লাহ।


(১)
আজকে যখন খালেদা জিয়াকে জেলে ভরা হয়, তখন কেবলি হাসি লাগে। কিছুদিন আগে পুলিশের এক উধ্র্বতন কর্মকর্তা বলেছিলেন, এই খালেদা জিয়া জামাতর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলো আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতকে নিষিদ্ধ করার জন্য। কিন্তু কোন কারণবশতঃ সে সফল হয় নাই। আজকে সেই খালেদা জিয়া নিজেই নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

Saturday, November 18, 2017

বর্তমান কঠিন সংকটময় দুর্দিনে কাফির-মুশরিকদের অবর্ননীয় নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পেতে মুসলমান উনাদের করনীয় কি?


মুসলমানদের কোথায় একত্রিত হতে হবে ? 
====== 
১) শত্রু চিনতে হবে:
কাফিরদের নানান কায়দায় চক্রান্ত থেকে বাঁচতে মুসলমানদের প্রথমে শত্রু চিনতে হবে। আর এজন্য শত্রু সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ ভালোভাবে পাঠ করতে হবে এবং সেখান থেকে দৃঢ় আক্বীদা পোষণ করতে হবে কাফির-মুশরিকরা হচ্ছে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় শত্রু।আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা মানুষের মধ্যে তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীদেরকে। 

Monday, November 6, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীল ভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (২)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মূলত, হক্ব-নাহক্বের এ দ্বন্দ্ব, অর্থাৎ নাহক্ব কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং হক্ব-নাহক্ব-এর এ দ্বন্দ্ব প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় থেকেই চলে আসছে। দাজ্জালে কাযযাবদের অগ্রণী মালঊন, গোমরাহ ও চির জাহান্নামী ইবলীসই এ বিরোধিতার প্রবর্তক। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা দেখতে পাই আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ প্রায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার, মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার সম্মানিত নবী ও রসূল আলাইহিমুছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধিতা করেছে ওই ইবলীস শয়তানের অনুসারী ও গোলাম দাজ্জালে কাযযাবরা। শুধু তাই নয়; তারা প্রায় সত্তর হাজার হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতার মাত্রা যে কোন্ পর্যায়ের ছিল তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। বস্তুতঃ সেই বিরোধিতার নযীর ইতিহাসে দ্বিতীয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। উনাকে বলা হয়েছে যাদুকর, জিনে ধরা, পাগল, ধর্মত্যাগী ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
ঠিক একইভাবে বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা বজায় ছিল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে দুনিয়াতে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম মানুষ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতিও। বাতিল, গোমরাহ, দাজ্জালে কাযযাব, খারিজী ও রাফিযীরা উনাদেরকে আখ্যায়িত করেছে ক্ষমতালোভী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধ্বংস সাধনকারী, মুরতাদ, কাফির ইত্যাদি কুখ্যাতিতে। নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!
শুধু যে মিথ্যা রচনা, অপবাদ আর অশালীন ভাষায় কুৎসা রটনা করেছে তাই নয়। তারা শহীদ করেছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, তৃতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, চতুর্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে, আমীরুল মু’মিনীন বেহেস্তের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নয়নের মণি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং ইমামুল মুসলিমীন হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
বাতিল, গোমরাহ দাজ্জালে কাযযাবদের বিরোধিতা এখানেই থেমে থাকেনি। তাদের বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা প্রলম্বিত হয়েছিল তাবিয়ীন, তাবে-তাবিয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ ও হক্কানী রব্বানী আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতিও। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বিরোধিতা করেছে জগতখ্যাত আলিমে দ্বীন, সর্বশ্রেষ্ঠ ওলীয়ে কামিল, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার, তারা উনার লিখিত মহামূল্যবান কিতাব পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তারা বিরোধিতা করেছে গাউছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ্ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাউযুবিল্লাহ! এবং বিরোধিতা করেছে গত শতকের মুজাদ্দিদ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! 
আর বিশেষভাবে যিনি বিরোধিতার শিকার, তিনি হলেন আমাদেরই সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রতিষ্ঠাতা ইমামুল মুজতাহিদীন, ইমামুল আইম্মাহ, বাহ্রুল উলুম, হাকিমুল হাদীছ, ইমামে আ’যম ইমাম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার সম্মানিত শান-মান প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “হযরত ইমাম ছুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমরা ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এরূপ অবস্থায় আসতাম, যেরূপ চুড়–ই পাখি বাজ পাখির নিকট অবস্থান করে এবং নিশ্চয়ই ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন আলিম উনাদের মাথার তাজ মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
আল্লামা ইবনে খাল্লেক্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তারিখে খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি কি ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখেছিলেন? তদুত্তরে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরূপ একজন ব্যক্তি উনাকে দেখেছি যে, যদি তিনি এই স্তম্ভকে স্বর্ণের স্তম্ভরূপে প্রমাণ করতে চাইতেন, তবে যুক্তির মাধ্যমে তার প্রমাণ পেশ করতে পারতেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ফিক্বহ তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করে, তার জন্য কুফায় গমন করা ও হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ উনাদের ছোহবত মুবারক লাভ করা আবশ্যক।” সুবহানাল্লাহ! (চলবে ইনশাআল্লাহ)

Wednesday, October 25, 2017

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার তিনি ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন নাউযুবিল্লাহ

* সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ব্যপারে অভিযগ রয়েছে, তিনি উনার ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন এবং এই নিয়ে মামলাও বিচারাধিন।নাউযুবিল্লাহ 
 অথচ উনার ভাইয়েরা উনাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য বহু চেষ্টা করছে ।  মূলতঃ উনার ভাই ও এসব অপপ্রচারের শামীল । তারা দলিল দিতে পারবে না তাই আমি দলিল দিচ্ছি । 
* ১৯৪৮ সালে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পিতা মরহুম সাইয়্যিদ মুহম্মদ মোখলেছুর রহমান আলাইহিস সালাম , উনার মাতার নামে ৫ আউটার সার্কুলার রোডস্থ হোল্ডিংয়ে ৪ বিঘা ১৪ আনা ৪ ছটাক জমি খরিদ করেন। 
* পরবর্তীতে সুখে শান্তিতে বসবাসরত অবস্থায় ১৯৮০ সালে ১.০৩ একর সম্পত্তিতে উনার মাতা নিজ নামে কিয়দাংশ রেখে অবশিষ্ট সম্পত্তি উনাদের ৫ পুত্র এবং ৪ কন্যার নামসহ উনাদের পিতার নামে দানপত্র করে নামজারী করে দেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মেঝ ভাই হাফিজুর রহমান বিদেশ থেকে এসে পারিবারিক সকল সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য সে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামসহ মোট ৫ ভাই এবং ৪ বোনকে নিয়ে ১৯৯১ সালে জেড আর এস্টেট প্রাঃ লিঃ কোম্পানী গঠন করে। 

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার' তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী'

*আত্নশুদ্ধি অর্জনের জন্য যে সাধনা করা হয়, তাকে বলা হয় তাসাউফ। রাজারবাগি পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম দাবি তিনি এই তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী ।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম  তিনি নিজে বলেছেন ?  দুইটা উত্তর দিবে-  
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি । 
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল । 
* বাতিল ফিরকাদের দাবি,  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।

Sunday, September 24, 2017

কাফিরদের প্রতি বদদোয়া


আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনার প্রতি কারো কোন হক্ব নেই। তারপরেও আপনি নিজেই বলেন, আপনার হক্ব হচ্ছে মুমিনদেরকে সাহায্য করা। এখন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান আমরা সকলেই আপনার গায়েবী মদদ, আপনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গায়েবী ইহসানের দিকে রুজু হয়ে রয়েছি। আমাদের কোন ব্যবস্থা নেই আয় মহান আল্লাহ পাক! মুসলমানদের কোন ব্যবস্থা নেই, মুসলমানদেরকে কঠিন কষ্ট দেয়া হচ্ছে, অত্যাচার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, বরদাশতের বাইরে যুলুম করা হচ্ছে আয় মহান আল্লাহ পাক! হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম তিনি ক্বাবা শরীফ উনাকে আপনার নিকট সোপর্দ করেছিলেন আপনি মালিক হওয়ার পরেও অতঃপর আপনি গ্রহণ করেছিলেন এবং হিফাযতও করেছিলেন। আয় মহান আল্লাহ পাক! এখনতো দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কঠিন অবস্থার সম্মুখীন আপনাকে মানার কারণে, আপনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানার কারণে এরা যুলুম করে যাচ্ছে। আয় বারে ইলাহী!

Thursday, July 27, 2017

রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-১

(১)রাজারবাগ শরীফ উনার সিলসিলা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার উম্মত আমার শিক্ষাকে ৭৩টি দলে বিভক্ত করবে, তবে তার মাঝে একটি দল হবে হক।” সেই সঠিক আক্বীদাবিশিষ্ট দলকে পরবর্তীতে বলা হয়েছে ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো অনেকেই নিজেদের সেই দলের সদস্য দাবি করছে কিন্তু তাদের আক্বঈদ, আমল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত থেকে ভিন্ন, যেমন ওহাবী ও সলাফী সম্প্রদায়। চার মাযহাবের অনুসারীগণই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী। তারপরেও একই মাযহাবের অনুসারীগণের মধ্যে আবার ইলমে তাসাউফ, ইলমে আখলাক বা ইলমে বাতেন হাছিলের জন্য বিভিন্ন ধারা, তরীক্বা বা সিলসিলা পাওয়া যায়। ‘সিলসিলা’ একটি আরবী শব্দ; যার অর্থ- চেইন বা সংযোগের ধারাবাহিকতা। এটা আধ্যাত্মিক বংশতালিকাও বটে, যেখানে একজন কামিল মুর্শিদ বা শায়েখ উনার উত্তরপুরুষদের মধ্যে খিলাফতের ভার ন্যাস্ত করে যান। ‘সিলসিলা’ হচ্ছে কামিল মুর্শিদ বা শায়েখগণের একটি পর্যায়ক্রমিক ধারা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- গাউসুল আ’যম হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং সুলত্বানুল হিন্দ হযরত খাজা গারীব নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা আহলে সুন্নাত জামাতের আক্বীদাভুক্ত হবার পরেও মাযহাবের দিক থেকে এবং তাসাউফ শিক্ষার সিলসিলার দিক থেকে ভিন্ন। আর সে কারণে অনেক সময় তাসাউফ শিক্ষার পর্যায়ক্রমিক ধারাই ‘সিলসিলা’ হিসেবে মশহুর হয়ে থাকে।

Saturday, November 26, 2016

‘আল বাইয়্যিনাত’ সম্পর্কে মিথ্যাচারিতা


আশাদ্দুদ দরজার জাহিল কাযযাবুদ্দীন তার ‘ভ্রান্ত মতবাদে’ লিখেছে, “তিনি স্বপ্নে দেখেছেন ফুরফুরার হযরত মাওলানা আবূ বকর সিদ্দীকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট খলীফা মাওলানা রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি  তিনি এক মাহফিলে ওয়াজ করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি সমবেত জনতাকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ দেখ আমি আগে মাসিক আল বাইয়্যিনাত পড়তাম না। আমাকে সর্বপ্রথম এটা পড়তে বললেন হাদীছের বিখ্যাত ইমাম আল্লামা দাইলামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তারপর বললেন খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি। অতঃপর আমি এক বন্ধুসহ গেলাম মদীনায় প্রিয় নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিয়ারতে, নবীজি তিনিও আমাকে বললেন ‘আল বাইয়্যিনাত’ পড়তে। এরপর  থেকে আমি ‘আল বাইয়্যিনাত’ পড়ে থাকি।”
উক্ত স্বপ্ন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কাযযাবুদ্দীন লিখেছে, “মৃত্যুর পর আম্বিয়ায়ে কেরাম কবরে নামায পড়েন বলে হাদীছ শরীফ-এ প্রমাণ রয়েছে। এছাড়া কবরে কোন ব্যক্তি পত্র-পত্রিকা তো দূরের কথা কুরআন শরীফ-কিতাব পাঠ করে এমন কোন প্রমাণও কুরআন শরীফ-হাদীছ শরীফ-এর কোথাও নেই।”

‘বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফ’ সম্পর্কিত মিথ্যাচারিতা


আশাদ্দুদ দরজার জাহিল হেমায়েত উদ্দীন ওরফে কাযযাবুদ্দীন তার কলঙ্কিত রেসালা “ভ্রান্ত মতবাদে” লিখেছে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত সম্পর্কে তিনি এত বাড়াবাড়ি করেছেন যে, আল বাইয়্যিনাত জুলাই ’৯৯ সংখ্যায় ১৩৪ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, আল্লামা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মছনবী শরীফকে যেমন ফার্সী ভাষায় কুরআন শরীফ বলা হয়, তদ্রুপ আল বাইয়্যিনাতও যেন ‘বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফ।”
উক্ত বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কাযযাবুদ্দীন লিখেছে, “এক দিকে তিনি আল বাইয়্যিনাত পত্রিকাকে কুরআন শরীফ বলে আখ্যায়িত করেছেন, আবার আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার বিরোধিতা করলে ঈমান হারা হয়ে যাওয়ার ধারণা প্রদান করেছেন। এর অর্থ হলো তিনি এই পত্রিকাকে প্রকৃত অর্থেই কুরআনের সমতুল্য আখ্যায়িত করতে চান।”

বুযূর্গদের প্রশংসা করা সম্পর্কে মিথ্যাচারিতা

কাযযাবুদ্দীন লিখেছে, “………. তিনি বিভিন্ন বুযূর্গ সম্পর্কে অতি উচ্চ মাত্রায় বাড়াবাড়ি করে কিছু প্রশংসা করেছেন। ….. যেমন তিনি বলেন,
১.    কেউ যদি হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত মাকতুবাত শরীফ পড়ে (পড়াকালীন সময়ে) যদিও সে নবী নয়, তবুও নবীদের দফতরে তার নাম থাকে। ………।”
২.    রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজেকে ‘গাউছুল আ’যম দাবি করেন। আর উনার পত্রিকায় গাউছুল আ’যম বড় পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বলা হয়েছে, গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুল আওলিয়া মুহিউদ্দীন বড়পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, “কোন চাঁদ উদিত হয় না কোন সূর্য অস্ত যায় না আমার অনুমতি ব্যতীত” … অতঃপর একটু সামনে গিয়ে রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনিও সেরূপ ক্ষমতা রাখেন সেদিকে ইঙ্গিত করে পত্রিকাটিতে লিখা হয়েছে, “উল্লেখ্য এ ধরনের আখাছ্ছুল খাছ মর্যাদা-মর্তবার ওলী আল্লাহর ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সমাসীন …… রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।” (আল বাইয়্যিনাত ৭১তম সংখ্যা ১৩৯ পৃষ্ঠা)

জমহুরে উম্মতের খিলাফ ফতওয়া প্রদান সম্পর্কে

কাযযাবুদ্দীন সর্বশেষে তার জিহালতীর সবটুকু উদ্গীরণ করে দিয়ে তার কলঙ্কিত ও গুমরাহীমূলক রেসালা “ভ্রান্ত মতবাদে” লিখেছে, “উল্লেখ্য রাজারবাগ শরীফ এর মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মুজতাহিদ হিসেবে জমহুরে উম্মতের খিলাফ অনেক মাসায়েলও উদ্ভাবন করেছেন। যেমন (১) চার কল্লী টুপি পরিধান করা খাছ সুন্নত (২) মুসলমানদের উপর চরম ধরনের বিপদাপদ আসলে ফজরের নামাযে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা জায়িয নয়, এরূপ কুনূতে নাযিল পাঠ করা হলে নামায ফাসেদ হয়ে যায় (৩) নামের শুরুতে বহু খেতাব ব্যবহার করা সুন্নত। (৪) ১২ রবিউল আউয়াল মুসলমানদের জন্য বড় ঈদ ইত্যাদি।”
মিথ্যাচারিতার খণ্ডমূনলক জবাব
আশাদ্দুদ দরজার জাহিল কাযযাবুদ্দীনের উক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রথমেই মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি এজন্য যে, কাযযাবুদ্দীন অনিচ্ছাসত্ত্বে হলেও রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে ‘মুজতাহিদ’ হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে। যদিও তার এ স্বীকার করে নেয়া বা অস্বীকার করাতে আমাদের কিছুই যায় আসে না। আরো শুকরিয়া জানাই এজন্য যে, কাযযাবুদ্দীন নিজেই প্রমাণ করলো যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার কর্তৃক ইজতিহাদকৃত উল্লিখিত মাসয়ালা চারটি সঠিক। কারণ, সে উক্ত মাসয়ালা ৪টি উল্লেখ করেছে কিন্তু তা দলীল দ্বারা খণ্ডন করে জমহুর উম্মতের খিলাফ প্রমাণ করার দুঃসাহস তার হয়নি। সে ভাল করেই জানে যে, উল্লিখিত মাসয়ালাগুলো খণ্ডন করার মত যোগ্যতা কাযযাবুদ্দীন তো দূরের কথা, পৃথিবীর কোন আলিমেরই নেই। তাই সে এক্ষেত্রে শুধুমাত্র “জমহুরে উম্মতের খিলাফ” বলেই ক্ষান্ত হয়েছে।

মু’তাযিলা আক্বীদা সম্পর্কিত মিথ্যাচারিতা

মহা কাযযাব সুলাইমান আলী ওরফে মুসাইলাম তার বিভ্রান্তিকর রেসালা “আদ-দ্বীনে” আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছে যে, “… যারা মু’মিন থেকে কোন গুনাহের কাজ সংঘটিত হলেই দ্বীনের থেকে খারিজ বা কাফের হয়ে যায় মনে করে …. তারাই গুমরাহ ফেরক্বা।
… অতএব, মীলাদ ক্বিয়াম অস্বীকার করা, লংমার্চে নেতৃত্ব দেয়া, হরতাল করা, ছবি তোলা, মহিলা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করা ইত্যাদি জনাব … সাহেবের দৃষ্টিতে হারাম বা গুনাহে কবীরাহ। আর এ গুনাহে লিপ্ত হওয়াকে কুফরী বা দ্বীন থেকে খারিজ হওয়ার ফতোয়া প্রদান করাই প্রমাণ করে যে, তিনি আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত নন বরং তিনি মু’তাযিলা বা খারিজী ফিরকার অনুসারী তথা বাতেল ফেরক্বার অন্তর্ভুক্ত।” নাঊযুবিল্লাহ!

বাবরী মসজিদ, ফতওয়া নিষিদ্ধকরণ ইত্যাদি সম্পর্কিত মিথ্যাচারিতা


মহা কাযযাব তার ভ্রান্ত রেসালা ‘আদ দ্বীনে’ রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার প্রতি আরেকটি তোহমত দিয়েছে যে, … বাবরী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা, ইহুদী, মহিলা কর্তৃক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ব্যঙ্গ পোস্টারিং করা, ইরাক ও আফগান যবর দখল করা ও গণহত্যা চালানো এবং আদালত কর্তৃক সবধরনের ফতওয়া নিষিদ্ধ করণের কোন প্রতিবাদ নাকি রাজারবাগ শরীফ-এর পক্ষ থেকে করা হয় নাই।” নাঊযুবিল্লাহ
মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জবাব
মহা কাযযাব মুসাইলামের উপরোক্ত তোহমতের জবাবে বলতে হয় যে, ক্বওমী বা খারিজী বলে একটি ধারা এদেশে বিরাজমান। হালে এ ধারাটির তবিয়ত দেখে প্রতিভাত হয় যে, ঐ প্রবাদ এদের জন্য যথাযথভাবে প্রযোজ্য-‘আলিমরা মাটির নিচে গেছে আর মুর্খরা সব জায়গা দখল করে নিয়েছে।’

কাযযাবগং তথা উলামায়ে সূ’দের মিথ্যাচারিতার দাঁতভাঙ্গা জবাব ২(৪)


বাতিলপন্থিরা এ পর্যন্ত বহু মিথ্যা রটনা বা অপপ্রচারই করেছে। তবে তাদের প্রতিটি মিথ্যা অপপ্রচারেরই দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হয়েছে বা রয়েছে। উক্ত জবাবের কোন খ-নমূলক জবাব না দিতে পেরে তারা বাধ্য হয়েছে “মিথ্যার আশ্রয় নিতে”।
ইদানিংকালে ঢাকার  তথাকথিত মুফতী বোর্ড ও মারকাজুল ইসলামী-এর তথাকথিত চেয়ারম্যান ও মুফতী … শামছুল হক “বেশরা…দের গোমর ফাঁক” নামে একটি রেসালা প্রকাশ করেছে এবং মুনাফিক গোষ্ঠী ও বাতিলপন্থী ওহাবী, খারিজী, জামাতিরা কয়েকটি লিফলেট প্রচার করেছে। সেগুলোতে যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কাযযাব “শামছু ও মুনাফিক গোষ্ঠীরা রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতা করতে গিয়ে যে সকল মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেছে, তা তাদেরকে আশাদ্দুদ দরজার জাহিল, যুগের আবূ জাহিল, গোমরাহ ও দাজ্জালে কাযযাব হিসেবেই সাব্যস্ত করেছে।

প্রসঙ্গ- হক্কানী পীর বা আলিম”

মিথ্যাবাদী, তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক শামছুল হক তার কলঙ্কিত রেসালা.. “বেশরা…দের গোমর ফাঁক”-এর ৮৩ পৃষ্ঠায় লিখেছে “…. হক্কানী পীর নয়। আর ৮৪ পৃষ্ঠায় লিখেছে…..আলিম নয়।”
“খণ্ডনমূলক জবাব”
মিথ্যাবাদী, বদচরিত্র তথাকথিত মুফতী স্বঘোষিত মুশরিক তার উক্ত বক্তব্যের স্বপক্ষে কোন দলীলই পেশ করতে পারেনি, অর্থাৎ রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কেন বা কি কারণে “হক্কানী পীর বা আলিম নন” তা মোটেও উল্লেখ করেনি। কাজেই কেউ হক্ব বা না হক্ব, আলিম বা জাহিল হওয়ার জন্য কারো মুখের কথা দলীল নয়। বরং দলীল হচ্ছে, কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও কিয়াস। কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা, ক্বিয়াসে হক্কানী পীর বা আলিমের যে সংজ্ঞা বা পরিচিতি উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথে যাদের মিল থাকবে তারা অবশ্যই হক্কানী পীর বা আলিম যদিও মিথ্যাবাদী শামছুল হকের ন্যায় আরো অনেকেই তা অস্বীকার করে। আর উক্ত সংজ্ঞায় যারা পড়বে না তারা কস্মিনকালেও হক্কানী পীর বা আলিম নয়, যদিও মিথ্যাবাদী শামছুল হকের ন্যায় আরো অনেকেই তাদেরকে হক্কানী বলে মুখে ফেনা তুলে।

প্রসঙ্গ: বিদয়াতী”

মিথ্যাবাদী, বিদয়াতী, জাহিল, তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু…. আরো লিখেছে, “তাঁর আল বাইয়্যিনাত পত্রিকা পড়লে জানা যায় যে তিনি একজন পাক্কা বিদয়াতী।” নাঊযুবিল্লাহ!
“খণ্ডনমূলক জবাব”
তথাকথিত মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক শামছু মিয়ার মিথ্যাচারিতা, জিহালতী ও প্রতারণাময় চেহারা এখানেও প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। কারণ সে রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে ‘বিদয়াতী’ বলে মিথ্যা তোহমত দিয়েছে, অথচ তার কোন কাজটা বিদয়াত তা উল্লেখ করেনি বা করতে পারেনি।
মূলত তথাকথিত মুফতী শুধু নয় তার সকল গোষ্ঠীর প্রতি চ্যালেঞ্জ রইল তারা যদি রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার একটি কাজও কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের দৃষ্টিতে বিদয়াত বা বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ প্রমাণ করতে পারে, তবে তাদেরকে “একশ কোটি টাকা” পুরস্কার দেয়া হবে। কিয়ামত পর্যন্ত কোশেশ করেও তারা তা প্রমাণ করতে পারবেনা। ইনশাআল্লাহ।

প্রসঙ্গঃ ‘আল বাইয়্যিনাত’ বানান

প্রসঙ্গঃ ‘আল বাইয়্যিনাত’ বানান
মিথ্যাবাদী, প্রতারক, জাহেল মুফতীর খোলশে ভুয়া মুফতী, স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু….” অতঃপর লিখেছে “….. তার পত্রিকার নামটি অশুদ্ধ। নাম লিখেছে “বাইয়্যিনাত” অথচ ‘ই’ অক্ষরটি বাদ দিয়ে “বায়্যিনাত” লিখলে শুদ্ধ হত।”
“খণ্ডনমূলক জবাব”
গণ্ডমূর্খ, ধোঁকাবাজ, মিথ্যাবাদী স্বঘোষিত মুফতী “শামছু…”র উপরোক্ত বক্তব্য থেকেই আঁচ করা যায় যে, সে কত নাম্বারের মুফতী আর কোন ক্লাসের মাওলানা। তার যৎসামান্য জাহেরী ইলমের দৌড় শব্দের বানান পর্যন্তও যেতে পারেনি। সে আবার ‘ইলমে লুদুনীর’ খবর নেয়। ঠিক আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নেয়ার মত। “বাইয়্যিনাত” বানানটি ‘ই’  দিয়ে লিখলে অশুদ্ধ হবে আর ‘ই’ বাদ দিয়ে লিখলে শুদ্ধ হবে তার একথার দলীল কোথায়? কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসে তথা দুনিয়ার কোন কিতাবেই একথা উল্লেখ নেই। হ্যাঁ “শামছু…..” যদি কাদিয়ানী আর বাহাই এর ন্যায় নবী হওয়ার দাবিদার হয়ে থাকে তবে তার প্রতি নাযিলকৃত নতুন কিতাবে একথা উল্লেখ থাকতেও পারে। কে জানে! হয়তোবা এরূপ হতেও পারে। নচেৎ সে বাতিল ফিরক্বা শিয়া ও আগাখানী, বাহাই, এর মাঝখানে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হক্কানী ওলীআল্লাহ যামানার মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিষয়টি ঢুকাবে কেন? তাছাড়া সে বাহাই ও আগাখানীদের ব্যাপারে লিখলো মাত্র ৪টি শব্দ এক লাইনও লিখলো না, অথচ রাজারবাগ শরীফ সম্পর্কে লিখলো প্রায় এক পৃষ্ঠা। যদিও সবই মিথ্যা মনগড়া, বানানো, সাজানো, উদ্দেশ্যমূলক ও দলীলবিহীন।

প্রসঙ্গ- আল বাইয়্যিনাতে ভুল

হক্বের বিরোধিতাকারী বা হক্ব ধ্বংসকারী شمص الحق (শামছুল হক্ব) অতঃপর লিখেছে- “…..তাঁর পত্রিকার ভিতরে যে কত ভুল তার ইয়ত্তা নেই। … তার ক্যাসেট শুনেছি। তাঁর মাসিক পত্রিকা পড়েছি। তাঁর ২/৪টি প্রচার পত্র ও বই পড়েছি।”
“খণ্ডনমূলক জবাব”
মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে লক্ষ-কোটি শুকরিয়া এজন্য যে, মিথ্যাবাদী, মালউন “শামছু…” আল বাইয়্যিনাতে ভুল আছে বলে মিথ্যা অভিযোগ করলেও প্রমাণস্বরূপ আল বাইয়্যিনাতের একটি ভুলও সে উল্লেখ করতে পারেনি। ইনশাআল্লাহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত কোশেশ করলেও সে তা পারবে না।
তাই মিথ্যাবাদী, বদ চরিত্র স্বঘোষিত মুশরিক “শামছু…”-এর প্রতি চ্যালেঞ্জ রইল, সে যদি কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও ক্বিয়াসের দৃষ্টিতে আল বাইয়্যিনাতের একটি ভুলও ধরে দিতে পারে তবে তাকে ‘এক কোটি টাকা’ পুরস্কার দেয়া হবে।
মূলত এই মিথ্যাবাদী শামছু….. গংদের প্রতি সেই শুরু থেকেই মাসিক আল বাইয়্যিনাত, লিফলেট বা প্রচার পত্র কিতাবাদি ও মাহফিলের মাধ্যমে “প্রকাশ্য বাহাছের” চ্যালেঞ্জ দেয়া হচ্ছে। অথচ তারা সেই বাহাছের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করে আল বাইয়্যিনাতে ভুল আছে বলে মিথ্যা প্রচারণা চালায়। কারণ তারা ভাল করেই জানে যে, আসলে আল বাইয়্যিনাতে কোন ভুল নেই। আল বাইয়্যিনাতে যা লেখা হয় তা দলীল ভিত্তিকই লেখা হয়। বস্তুত মিথ্যাবাদী “শামছু…..”  গংদের মধ্যেই রয়েছে অসংখ্য ভুল। তাই তারা বাহাছে আসতে বা বাহাছের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে সাহস পায় না। সুতরাং মিথ্যাবাদী “শামছু…” “আল বাইয়্যিনাতে ভুল আছে, বলে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণরূপেই ডাহা মিথ্যা, মনগড়া ও কল্পনা প্রসূত। সে যদি সত্যবাদী হয়ে থাকে তবে যেন আমাদের দেয়া প্রকাশ্য বাহাছের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। অথবা প্রমাণ করে দেয় যে আল বাইয়্যিনাতের কোন বিষয়টা ভুল। নচেৎ প্রমাণিত হবে যে, সে আসলেই ডাহা মিথ্যাবাদী ধোঁকাবাজ ও প্রতারক ভণ্ড তো অবশ্যই।