Showing posts with label রাজারবাগী পীরের মুরিদ. Show all posts
Showing posts with label রাজারবাগী পীরের মুরিদ. Show all posts

Thursday, February 15, 2018

রাজারবাগ শরীফ উনার যারাই ক্ষতি করতে আসবে উল্টো তারাই লাঞ্চিত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। সুবহানাল্লাহ।


(১)
আজকে যখন খালেদা জিয়াকে জেলে ভরা হয়, তখন কেবলি হাসি লাগে। কিছুদিন আগে পুলিশের এক উধ্র্বতন কর্মকর্তা বলেছিলেন, এই খালেদা জিয়া জামাতর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলো আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতকে নিষিদ্ধ করার জন্য। কিন্তু কোন কারণবশতঃ সে সফল হয় নাই। আজকে সেই খালেদা জিয়া নিজেই নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

Saturday, November 18, 2017

বর্তমান কঠিন সংকটময় দুর্দিনে কাফির-মুশরিকদের অবর্ননীয় নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পেতে মুসলমান উনাদের করনীয় কি?


মুসলমানদের কোথায় একত্রিত হতে হবে ? 
====== 
১) শত্রু চিনতে হবে:
কাফিরদের নানান কায়দায় চক্রান্ত থেকে বাঁচতে মুসলমানদের প্রথমে শত্রু চিনতে হবে। আর এজন্য শত্রু সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ ভালোভাবে পাঠ করতে হবে এবং সেখান থেকে দৃঢ় আক্বীদা পোষণ করতে হবে কাফির-মুশরিকরা হচ্ছে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় শত্রু।আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা মানুষের মধ্যে তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীদেরকে। 

Wednesday, October 25, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামদাবী স্বয়ং আল্লাহ পাক ও হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এই পীরালির দায়িত্ব দিয়েছে।

এটা সত্য । কিন্তু ও তবে ব্যপারটি ও বিদ্যমান । তিনি আল্লাহ পাক ও তার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খিলাফত প্রাপ্ত এবং উসীলা উনার পীর সাহেব তাজুল মুফাস্‌সিররীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, কুতুবুল আলম, মুফতিউল আ’যম হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী (যাত্রাবাড়ির হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি।

রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার তিনি ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন নাউযুবিল্লাহ

* সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ব্যপারে অভিযগ রয়েছে, তিনি উনার ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন এবং এই নিয়ে মামলাও বিচারাধিন।নাউযুবিল্লাহ 
 অথচ উনার ভাইয়েরা উনাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য বহু চেষ্টা করছে ।  মূলতঃ উনার ভাই ও এসব অপপ্রচারের শামীল । তারা দলিল দিতে পারবে না তাই আমি দলিল দিচ্ছি । 
* ১৯৪৮ সালে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পিতা মরহুম সাইয়্যিদ মুহম্মদ মোখলেছুর রহমান আলাইহিস সালাম , উনার মাতার নামে ৫ আউটার সার্কুলার রোডস্থ হোল্ডিংয়ে ৪ বিঘা ১৪ আনা ৪ ছটাক জমি খরিদ করেন। 
* পরবর্তীতে সুখে শান্তিতে বসবাসরত অবস্থায় ১৯৮০ সালে ১.০৩ একর সম্পত্তিতে উনার মাতা নিজ নামে কিয়দাংশ রেখে অবশিষ্ট সম্পত্তি উনাদের ৫ পুত্র এবং ৪ কন্যার নামসহ উনাদের পিতার নামে দানপত্র করে নামজারী করে দেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মেঝ ভাই হাফিজুর রহমান বিদেশ থেকে এসে পারিবারিক সকল সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য সে  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামসহ মোট ৫ ভাই এবং ৪ বোনকে নিয়ে ১৯৯১ সালে জেড আর এস্টেট প্রাঃ লিঃ কোম্পানী গঠন করে। 

Saturday, November 26, 2016

বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা?


থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন তিনি এ দুনিয়াকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত ক্বায়িম রাখবেন হক্বানী আলিম তথা আউলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের মাধ্যমে। তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সব রূহ বা আত্মাকে সৃষ্টি করার পর একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি কি তোমাদের রব নই?” জবাবে রূহ্সমূহ বললো, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রব।”
তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি রূহ্সমূহকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে রূহ্ সম্প্রদায়! আজ থেকে অনেকদিন পর তোমরা দুনিয়ায় যাবে, দুনিয়ায় গিয়ে এ প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যেওনা।” একথা শুনে রূহ্ সম্প্রদায় বললো, “হে আল্লাহ পাক! আমরা তো অনেক বছর পর দুনিয়াতে যাব, আর তখন আমাদের এ ওয়াদার কথা মনে নাও থাকতে পারে।” জবাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন বললেন, “তোমরা চিন্তা করোনা, মূলতঃ তোমাদেরকে আমার ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যেই আমি প্রতি যুগে নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করবো। নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন পাঠানো শেষ হয়ে যাবে, তখন নায়িবে রসূলগণ উনারা তথা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাতে থাকবো।”

Tuesday, December 15, 2015

রাজারবাগী পীর সাহেবের মুরিদের সাথে একদিন

পটুয়াখালী জেলায় একদিন। দেখা হলো পটুয়াখালী সদরের সড়ক ও জনপথ অফিসের ইঞ্জিনীয়ার ইউসুফ সাহেবের সাথে। ভদ্রলোক একবার কথা প্রসঙ্গে রাজারবাগ দরবারে এসে তাঁর উপলদ্ধির কথা আমাকে বললেন। তিনি জানালেন সড়ক ও জনপথের বরিশাল বিভাগের এডিশনাল চীফ ইঞ্জি. এমদাদ সাহেব রাজারবাগ পীর সাহেব ক্বিবলার একজন মুরিদ।
তো ইউসুফ সাহেব আমাকে বললেন, আমি সেখানে যাওয়ার আগে মনে মনে ভাবতেছিলাম- স্যারতো (ইঞ্জি. এমদাদ সাহেব) খুবই বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ ও অমায়িক মানুষ। কিন্তু দরবার বলতেই কেমন যেন একটা নেগেটিভ ধারণা আগে থেকেই আমার ভেতরে বদ্ধমূল ছিলো। ভাবতেছিলাম যে, রাজারবাগ দরবারে যেহেতু স্যার আসা যাওয়া করে নিশ্চেই তেমন খারাপ কিছু হবেনা, ব্যাতিক্রম কোন বিষয় থাকতে পারে।
রাজারবাগ আসার পর কিছু লোকের সাথে পরিচয় হওয়ার পরে আমি নিজেকে খুব অসহায় মনে করতে লাগলাম। ধারণা করেছিলাম যে, এখানে আমাকে সবাই ভিআইপি লোক হিসেবে গণ্য করবে। স্যারের পরিচয় দিলে হয়তো আলাদা মেহমানদারির ব্যবস্থা করবে কিন্তু এখানে এসে কিছুক্ষণের মধ্যেই ধারণা চেঞ্জ হয়ে গেলো।
দেখলাম- স্যারের লেভেলের বহু জ্ঞানী-গুনি, উচ্চ শিক্ষিত, পদস্থ লোকজন এখানে সাধারণ মানুষের মতোই আসা যাওয়া করছে। স্যারের মতো বহু ইঞ্জিনীয়ার, ডাক্তার, কর্ণেল, মেজর ও সমাজের উচ্চপদস্থ লোকজন এখানে নিয়মিত তালিম নিচ্ছেন, সবার সাথে একসাথে ফ্লোরে বসে সুন্নতি কায়দায় খাওয়া দাওয়া করছেন, হাসি খুশি করছেন।
মজার ব্যপার হচ্ছে, এসব লোকদের দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এরা এতোটা উচ্চ শিক্ষিত,কারণ সবাই পাগড়ি-রুমাল, সুন্নতি পোশাক পড়া। দেখতে মনে হয় সবাই মাদরাসায় পড়ুয়া আলেম।
আবার এখানে গরিব মানুষসহ সব শ্রেণীর লোক জন আসা যাওয়া করেন। একটা বিষয় কমন দেখলাম যে, সবাই আসলে যিনি পীর সাহেব ক্বিবলা তাঁর তা’লীম তালক্বীন নেয়ার জন্যই আসছেন এবং সবার কথা বার্তা, জ্ঞানের পরিসীমা উচ্চ পর্যায়ের আলেমদের মতোই ।