Tuesday, February 20, 2018

ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম কি নতুন কেউ ? (১)


না তিনি মোটেও নতুন কেউ নন এবং হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা পীর সাহেবও নন। বরং তিনি এ বাংলায় বহু বছর ধরে চলে আসা হক্বপন্থী পীর আউলিয়া কিরাম উনাদের সিলসিলাহ বহন করছেন।

মূলত এ অঞ্চলে দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার হয়েছে হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে আগত সিলসিলাহগুলো থেকে। শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খলিফা ছিলেন হযরত শাহ আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার খলিফা ছিলেন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার খলিফা ছিলেন নূর মুহম্মদ নিজামপুরী রহমতুল্লাহি, উনার খলিফা ছিলেন হযরত আবু বকর সিদ্দিক (ফুরফুরাহ) রহমতুল্লাহি। বাংলাদেশে যতদল ইসলাম প্রচার করছে, আপনি একটি দলও খুজে পাবেন না, যারা এ সিলসিলাহগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন। রাজারবাগ শরীফ, শর্শীনা, দেওবন্দ, জৈনপুরী, ফুলতলী, সোনাকান্দা, চরমোনাই সবাই গিয়ে এই একটি সিলসিলাহর কোন না কোন অংশে সংযুক্ত হয়েছে।

Saturday, February 17, 2018

হজ্জে যেতে হারাম ছবি নয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হোক।

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীরা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার করে হজ্জ নিয়ে। 
তারা অপপ্রচার করে, “তিনি নাকি হজ্জ করেন না, এবং সবাইকে হজ্জে যেতে বাধা দেন।” নাউযুবিল্লাহ।


ধরুন, একদল খারাপ লোক আপনার বাসার পাশের মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান শুরু করছে। নাউযুবিল্লাহ। আপনি সবাইকে ডেকে বললেন, “ভাইসব ! দেখুন, মসজিদের ভেতর হারাম নাচ-গান হচ্ছে, আসুন সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করি, তাহলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।”

খাবার অপচয় না করার শিক্ষা রাজারবাগ শরীফেই পাওয়া যায়

এমন কোন প্লেট নাই যে প্লেটে খাবারের অপচয় হয় না। ভাত-গোশত থেকে শুরু করে সবকিছু অপচয় হয়। ভাবখানা এমন যে, খাবার দেয়াই হয়েছে অপচয়ের জন্য। নাউযুবিল্লাহ।

কিন্তু তার ব্যতিক্রম দেখা ঢাকা রাজারবাগ শরীফে। ঢাকা রাজারবাগ শরীফে বিয়েসহ যে কোন অনুষ্ঠানে খাবার অপচয় রোধে এমন সুন্দর ব্যবস্থা নেয়া হয়, যা সবার জন্য অনুসরণীয়। উদাহরণস্বরূপ কিছুদিন পূর্বে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল উলা শরীফ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মীনিন আল উলা হযরত কুবরা আলাইহিস সালাম উনাদের সুমহান নিসবাতুল আযিম শরীফ (নিকাহ শরীফ) দিবস। ঐ দিন উপলক্ষে ১২টি আইটেম খাবার পরিবেশন করা হয়েছিলো। সবাই দস্তারখানায় নামাজের সুরতে বসে খাবার গ্রহণ করে। সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা অনুসারে এত সুন্দর ব্যবস্থা ছিলো যে একটা দানাও যদি নিচে পড়ে যাচ্ছে, তবুও সেটা তুলে খাওয়া হচ্ছিলো, প্লেটে সামান্য তরকারিও যদি লেগে থাকে তা চেটে খাওয়া হাচ্ছিলো। শিশু বাচ্চা যখন খেতে না পারছিলো, তার বাবা সেই খাদ্য শেষ করছিলো। একটি দানার ব্যাপারে যেন জারি হয়েছে রেড এ্যালার্ট।

সকল প্রশ্নের সঠিক জবাব রাজারবাগ শরীফ আসলেই পাবেন


গতকাল (লাইলাতুস সাবত) রাতে মুবারক সোহবতে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে একজন সুওয়াল (প্রশ্ন) করলেন-

১) প্রশ্নকারীর দাদা ও চাচাদের যৌথ ব্যবসা। সেই ব্যবসার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এক চাচাকে। কিন্তু দেখা গেলো ঐ চাচা ব্যবসার লাভ থেকে টাকা নিয়ে নিজের নামে সম্পত্তি করেছেন। এটা ঠিক হবে নাকি ?

“আমরা সুপ্রীমকোর্টের মূর্তি সরানোর জন্য অনেক আন্দোলন করছি, তোমরা রাজারবাগ কি করেছো ?”

অনেকে বলেছে, “আমরা সুপ্রীমকোর্টের মূর্তি সরানোর জন্য অনেক আন্দোলন করছি, তোমরা রাজারবাগ কি করেছো ?”

তাদেরকে বলবেন, 
চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে বসে অনেক গলা ফাটানো যায়, কিন্তু এতই যখন সাহস তখন ঢাকা সুপ্রীম কোর্টের ভেতর ঢুকে কিছু করতে পেরেছিলে কি ? পারো নাই, হাইকোর্টের গেইটের ভেতরে ঢুকে কিছু বলার সাহস তোমাদের নাই। কিন্তু ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে কোর্টের ভেতর ঢুকে সেই মূর্তির বিরুদ্ধে আইনীভাবে প্রতিবাদ করা হইছিলো, যা তোমরা স্বপ্নেও চিন্তা করতে পারবা না।

Thursday, February 15, 2018

রাজারবাগ শরীফ উনার যারাই ক্ষতি করতে আসবে উল্টো তারাই লাঞ্চিত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। সুবহানাল্লাহ।


(১)
আজকে যখন খালেদা জিয়াকে জেলে ভরা হয়, তখন কেবলি হাসি লাগে। কিছুদিন আগে পুলিশের এক উধ্র্বতন কর্মকর্তা বলেছিলেন, এই খালেদা জিয়া জামাতর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলো আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাতকে নিষিদ্ধ করার জন্য। কিন্তু কোন কারণবশতঃ সে সফল হয় নাই। আজকে সেই খালেদা জিয়া নিজেই নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

Tuesday, February 13, 2018

রাজারবাগ শরীফ উনার দেয়া তথ্য নিয়েই সৃষ্টি হয়েছিলো হেফাজতে ইসলাম

হেফজত তথা কওমীরা প্রায় বলবে- “আমরা ৫ই মে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে শাপলা চত্বরে আন্দোলন করেছি, তোমরা রাজারবাগ দরবার শরীফের লোকজন কি করেছো ? “

যে সব হেফাজতি-কওমী এসব কথা বলবে, দয়া করে তাদের ২০১৫ সালের ২৪শে মে তারিখের দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকাটি পড়তে বলবেন। সেই দিন “'হেফাজতে ইসলাম কোনো ব্লগারের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেয়নি' শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়, সেখানে হেফাজত প্রধান শফী নিজ মুখে বলে, “২০১৩ সালের ৩১ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে যে ৮৪ জন ব্লগারের তালিকা দেওয়া হয়, তা মাসিক আল-বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল-ইহসান পত্রিকার সম্পাদক এবং আনজুমানে আল-বাইয়্যিনাতের কেন্দ্রীয় আহবায়ক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম আরিফের নেতৃত্বে দেওয়া হয়েছিল। তিনি হেফাজতে ইসলামের কেউ নন এবং উক্ত বৈঠকে হেফাজতের কোনো নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেননি।” (http://www.kalerkantho.com/online/national/2015/05/24/225716)

হেফাজতের শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় এক সাংবাদিক হেফাজতের এক এক নেতাকে জিজ্ঞেস করে : “ব্লগ কি ?” 
উত্তরে হেফাজত নেতা বলেছিলো- “ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালায়।”

যাদের ব্লগ কিংবা ইন্টারনেট সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলো না, তারা কোন ব্লগে কোন নাস্তিক কখন নাস্তিকতা করেছে, সে সম্পর্কে জানবে কিভাবে ?

হ্যা, নাস্তিকরা যে ব্লগে নাস্তিকতা করছিলো, সেটা ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার সম্পাদক আল্লামা মুহম্মদ মাহবুবুল আলম সাহেব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের বৈঠকে দলিল-প্রমাণ দিয়ে জানিয়েছিলেন। আর সেই দলিলের ভিত্তি করেই নাস্তিকদের নামে মামলা ও গ্রেফতার হয় এবং ২০১৩ সালের ৬ই এপ্রিল ও ৫ই মে আন্দোলনে নামে হেফাজত। সেই নাস্তিকবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিতি পায় হেফাজত।

তারমানে সূত্রমতে, রাজারবাগ শরীফ উনার দেয়া তথ্য নিয়েই সৃষ্টি হয়েছিলো হেফাজতে ইসলাম। তাই রাজারবাগ শরীফ দ্বীন ইসলাম উনার জন্য কি করছে, সেটা বোঝার ক্ষমতাও হেফাজত-কওমীদের নেই।