Saturday, December 30, 2017

আশরাফ আলী থানবীর দৃষ্টিতে গাউসুল আযম শব্দ

‘গাউস’ শব্দের অর্থ হলো সাহায্যকারী। আর ‘আজম’ শব্দের অর্থ হলো বড়। যদি ‘গাউসুল আজম’ শব্দের সংযুক্ত অবস্থায় অর্থ করা হয়, তাহলে অর্থ দাঁড়ায়- (১) বড় সাহায্যকারী (২) বড় পীর আবদুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি এর উপাধী। (ফিরোজুল লুগাত, পৃষ্ঠা- ৯১৮)।

★ আশরাফ আলী থানভী বড় পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি সর্বস্তরের ওলী হওয়ার কারনে ওনার সাথে গাউসুল আজম হিসাবে লিখেছে।
(কাসাসুল আউলিয়া- ১ম ঘটনা)

আল্লাহ পাকের মকবুল বান্দাগন আল্লাহ পাকের রংগে রঞ্জিত হয়ে যান

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: যে ব্যক্তি আমার অলীর সাথে শত্রুতা করে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমার বান্দার প্রতি যা ফরয করেছি তা দ্বারাই সে আমার অধিক নৈকট্য লাভ করে। আমার বান্দা নফল কাজের মাধ্যমেও আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে। অবশেষে আমি তাকে ভালবেসে ফেলি। যখন আমি তাকে ভালবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু চাইলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় কামনা করে, তাহলে আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি যা করার ইচ্ছা করি, সে ব্যাপারে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগি না কেবল মুমিনের আত্মার ব্যাপার ছাড়া। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার মন্দকে অপছন্দ করি। [বুখারী: ৬৫০২]

Monday, December 4, 2017

এবার ১২ই রবিউল আওওয়াল শরীফ উনার দিনে বাধা প্রাপ্তির ঘটনা দিয়ে প্রমাণিত হলো ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ উনার নিসবত (সম্পর্ক) কার সাথে

এবার ১২ই রবিউল আওওয়াল শরীফ উনার দিনে বাধা প্রাপ্তির ঘটনা দিয়ে প্রমাণিত হলো ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ উনার নিসবত (সম্পর্ক) কার সাথে
প্রতি জামানায় ওলী আল্লাহগণ আসবেনই। কিয়ামত অবধি চলবে সে ধারা। এ সমস্ত আউলিয়াকিরামগণকে কেউ চিনবেন, আবার কেউ বা বিরোধীতা করবে। বর্তমান জামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে প্রেরিত সে ধরনের একজন আউলিয়া কিরাম হচ্ছেন ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম।
প্রতি বছর সাইয়্যিদুল অাইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনে বাধা না আসলেও এ বছর কিন্তু ছিলো ভিন্ন পরিস্থিতি। এ বছর খ্রিস্টান ধর্মনেতা পোপের সফরকে কেন্দ্র করে ১২ই শরীফ উনার দিন অনুষ্ঠান পালনে বিধি নিষেধ আরোপ করেছিলো প্রশাসন। এ সম্পর্কে বিডিনিউজ২৪ এর খবরে প্রকাশ- “মিলাদুন্নবির শোভাযাত্রা কিংবা জশনে জুলুসের অনুমতি পুলিশ দিয়েছে কি না- জানতে চাইলে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আউটডোরে সভা-সমাবেশ করার কোনো অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। পোপ চলে যাওয়ার পর কেউ সভা-সমাবেশ করতে চাইলে করতে পারবেন।”

Saturday, November 18, 2017

বর্তমান কঠিন সংকটময় দুর্দিনে কাফির-মুশরিকদের অবর্ননীয় নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পেতে মুসলমান উনাদের করনীয় কি?


মুসলমানদের কোথায় একত্রিত হতে হবে ? 
====== 
১) শত্রু চিনতে হবে:
কাফিরদের নানান কায়দায় চক্রান্ত থেকে বাঁচতে মুসলমানদের প্রথমে শত্রু চিনতে হবে। আর এজন্য শত্রু সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ ভালোভাবে পাঠ করতে হবে এবং সেখান থেকে দৃঢ় আক্বীদা পোষণ করতে হবে কাফির-মুশরিকরা হচ্ছে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় শত্রু।আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা মানুষের মধ্যে তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীদেরকে। 

Monday, November 6, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীল ভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (২)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মূলত, হক্ব-নাহক্বের এ দ্বন্দ্ব, অর্থাৎ নাহক্ব কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং হক্ব-নাহক্ব-এর এ দ্বন্দ্ব প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় থেকেই চলে আসছে। দাজ্জালে কাযযাবদের অগ্রণী মালঊন, গোমরাহ ও চির জাহান্নামী ইবলীসই এ বিরোধিতার প্রবর্তক। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা দেখতে পাই আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ প্রায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার, মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার সম্মানিত নবী ও রসূল আলাইহিমুছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধিতা করেছে ওই ইবলীস শয়তানের অনুসারী ও গোলাম দাজ্জালে কাযযাবরা। শুধু তাই নয়; তারা প্রায় সত্তর হাজার হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতার মাত্রা যে কোন্ পর্যায়ের ছিল তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। বস্তুতঃ সেই বিরোধিতার নযীর ইতিহাসে দ্বিতীয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। উনাকে বলা হয়েছে যাদুকর, জিনে ধরা, পাগল, ধর্মত্যাগী ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
ঠিক একইভাবে বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা বজায় ছিল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে দুনিয়াতে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম মানুষ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতিও। বাতিল, গোমরাহ, দাজ্জালে কাযযাব, খারিজী ও রাফিযীরা উনাদেরকে আখ্যায়িত করেছে ক্ষমতালোভী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধ্বংস সাধনকারী, মুরতাদ, কাফির ইত্যাদি কুখ্যাতিতে। নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!
শুধু যে মিথ্যা রচনা, অপবাদ আর অশালীন ভাষায় কুৎসা রটনা করেছে তাই নয়। তারা শহীদ করেছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, তৃতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, চতুর্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে, আমীরুল মু’মিনীন বেহেস্তের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নয়নের মণি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং ইমামুল মুসলিমীন হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
বাতিল, গোমরাহ দাজ্জালে কাযযাবদের বিরোধিতা এখানেই থেমে থাকেনি। তাদের বিরোধিতার এ ধারাবাহিকতা প্রলম্বিত হয়েছিল তাবিয়ীন, তাবে-তাবিয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ ও হক্কানী রব্বানী আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতিও। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বিরোধিতা করেছে জগতখ্যাত আলিমে দ্বীন, সর্বশ্রেষ্ঠ ওলীয়ে কামিল, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার, তারা উনার লিখিত মহামূল্যবান কিতাব পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তারা বিরোধিতা করেছে গাউছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! বিরোধিতা করেছে হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ্ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাউযুবিল্লাহ! এবং বিরোধিতা করেছে গত শতকের মুজাদ্দিদ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার। নাউযুবিল্লাহ! 
আর বিশেষভাবে যিনি বিরোধিতার শিকার, তিনি হলেন আমাদেরই সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রতিষ্ঠাতা ইমামুল মুজতাহিদীন, ইমামুল আইম্মাহ, বাহ্রুল উলুম, হাকিমুল হাদীছ, ইমামে আ’যম ইমাম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার সম্মানিত শান-মান প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “হযরত ইমাম ছুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমরা ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এরূপ অবস্থায় আসতাম, যেরূপ চুড়–ই পাখি বাজ পাখির নিকট অবস্থান করে এবং নিশ্চয়ই ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন আলিম উনাদের মাথার তাজ মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
আল্লামা ইবনে খাল্লেক্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তারিখে খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি কি ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখেছিলেন? তদুত্তরে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরূপ একজন ব্যক্তি উনাকে দেখেছি যে, যদি তিনি এই স্তম্ভকে স্বর্ণের স্তম্ভরূপে প্রমাণ করতে চাইতেন, তবে যুক্তির মাধ্যমে তার প্রমাণ পেশ করতে পারতেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ফিক্বহ তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করে, তার জন্য কুফায় গমন করা ও হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ উনাদের ছোহবত মুবারক লাভ করা আবশ্যক।” সুবহানাল্লাহ! (চলবে ইনশাআল্লাহ)

Thursday, November 2, 2017

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে- বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দলীলভিত্তিক খণ্ডনমূলক জবাব (১)



বাতিল কর্তৃক হক্বের বিরোধিতা ও মিথ্যাচারিতা পূর্বেও ছিল কিনা? থেকে থাকলে কেন এবং কারা করেছে?
মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামীন তিনি এ দুনিয়াকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত ক্বায়িম রাখবেন হক্বানী আলিম তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাধ্যমে। 
তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সব রূহ বা আত্মা উনাদেরকে সৃষ্টি করার পর একত্রিত করে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি কি আপনাদের রব নই?” জবাবে রূহ্সমূহ উনারা বললেন, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রব।” তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি রূহ্সমূহ উনাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে রূহ্ সম্প্রদায়! আজ থেকে অনেকদিন পর আপনারা দুনিয়ায় যাবেন, দুনিয়ায় গিয়ে এ প্রতিজ্ঞার কথা ভুলবেন না।” একথা শুনে রূহ্ সম্প্রদায় বললেন, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমরা তো অনেক বছর পর দুনিয়াতে যাব, আর তখন আমাদের এ ওয়াদার কথা মনে নাও থাকতে পারে।” জবাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন বললেন, “আপনারা চিন্তা করবেন না, মূলতঃ আপনাদেরকে এ ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যেই আমি প্রতি যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করবো। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যখন পাঠানো শেষ হয়ে যাবে, তখন নায়িবে রসূল উনাদের তথা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাতে থাকবো।” সুবহানাল্লাহ!

Wednesday, October 25, 2017

" ইমামুস সিদ্দিকিন " লক্বব

সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিকে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিদ্দীক উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। এই কারণে উনাকে বলা হয় ইমামুস সিদ্দিকীন। অথচ  সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম নিজের নামের সাথে এই উপাধি ব্যবহার করেন।