এটা সত্য । কিন্তু ও তবে ব্যপারটি ও বিদ্যমান । তিনি আল্লাহ পাক ও তার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খিলাফত প্রাপ্ত এবং উসীলা উনার পীর সাহেব তাজুল মুফাস্সিররীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, কুতুবুল আলম, মুফতিউল আ’যম হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী (যাত্রাবাড়ির হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা) রহ্মতুল্লাহি আলাইহি।
Wednesday, October 25, 2017
রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার তিনি ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন নাউযুবিল্লাহ
* সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ব্যপারে অভিযগ রয়েছে, তিনি উনার ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন এবং এই নিয়ে মামলাও বিচারাধিন।নাউযুবিল্লাহ
অথচ উনার ভাইয়েরা উনাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য বহু চেষ্টা করছে । মূলতঃ উনার ভাই ও এসব অপপ্রচারের শামীল । তারা দলিল দিতে পারবে না তাই আমি দলিল দিচ্ছি ।
* ১৯৪৮ সালে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পিতা মরহুম সাইয়্যিদ মুহম্মদ মোখলেছুর রহমান আলাইহিস সালাম , উনার মাতার নামে ৫ আউটার সার্কুলার রোডস্থ হোল্ডিংয়ে ৪ বিঘা ১৪ আনা ৪ ছটাক জমি খরিদ করেন।
* পরবর্তীতে সুখে শান্তিতে বসবাসরত অবস্থায় ১৯৮০ সালে ১.০৩ একর সম্পত্তিতে উনার মাতা নিজ নামে কিয়দাংশ রেখে অবশিষ্ট সম্পত্তি উনাদের ৫ পুত্র এবং ৪ কন্যার নামসহ উনাদের পিতার নামে দানপত্র করে নামজারী করে দেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মেঝ ভাই হাফিজুর রহমান বিদেশ থেকে এসে পারিবারিক সকল সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য সে সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালামসহ মোট ৫ ভাই এবং ৪ বোনকে নিয়ে ১৯৯১ সালে জেড আর এস্টেট প্রাঃ লিঃ কোম্পানী গঠন করে।
Labels:
রাজারবাগ,
রাজারবাগ দরবার,
রাজারবাগী পীরের মুরিদ
রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে যারা অপপ্রচার' তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী'
*আত্নশুদ্ধি অর্জনের জন্য যে সাধনা করা হয়, তাকে বলা হয় তাসাউফ। রাজারবাগি পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম দাবি তিনি এই তাসাউফ শাস্ত্রের সর্বোচ্ছ অধিকারী ।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজে বলেছেন ? দুইটা উত্তর দিবে-
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি ।
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল ।
* বাতিল ফিরকাদের দাবি, সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।
এখানে যদি প্রশ্ন করা হয় এ কথা কি রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজে বলেছেন ? দুইটা উত্তর দিবে-
১ ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি ।
২ মুরিদরা বলেছে ।
তো এখানেও মিথ্যার আশ্রয় নিল ।
* বাতিল ফিরকাদের দাবি, সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি গাউসুল আযম বড় পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অনেক বড় ধরনের পীর।
Labels:
উপমহাদেশের পীর সাহবে,
মুজাদ্দিদ,
রাজারবাগ,
রাজারবাগ দরবার
রাজারবাগ দরবার শরীফ সম্পর্কে অপপ্রচার কায়্যুমুয যমান
*তার দাবী, সে কায়্যুমুয যমান তথা যমানার ধারক বাহক।
সত্য বলেছে । তিনি কায়্যুমুয যামান । একজন মুমিন ব্যক্তি কখন কায়্যুমুয যামান হয় ? যখন ঐ মুমিন ব্যক্তি নফল ইবাদত করতে করতে এমন এক পর্যায় যান যেখানে নৈকট্য রয়েছে ।
হাদিসে উল্লেখ আছে “ বান্দা নফল ইবাদত করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য হাসীল করে যে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে আমি তার মুখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে বলে আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে । “
এখানে লক্ষ্যণীয় যে উক্ত মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ হয়ে যান । কিন্তু হাকিক্কত নন । উপমাটা এরুপ যে একটি রশি দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত । তাকে একটি গিট । এখানে হাকিক্কত হলো মূল রশি গিট হলো মুমিন বান্দাটি ।
তো স্বাভাবিক ভাবেই তিনি কায়্যুমুয যামান । তাছাড়াও তিনি সম্মানিত ১২ ইমামদের একজন । এ বিষয়ে পরে বলছি । আশা করা যায় বিষয়টি বুজতে পেরেছেন ।
*সূর্য এবং চন্দ্র নাকি উনার অনুমতি ব্যতিত উদিত হয় না বা অস্ত যায় না।
এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা । উনি কখন এ কথা বলেছেন ?
উত্তর একটাই না তিনি বলেন নি মূলত কায়্যুমুয যামান লকবের সূত্র ধরেই তারা এ কথা নিজ থেকে বলছে ।
তো এখানে কেন বানিয়ে বানিয়ে কথাটা বলল ?
“যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ করো ”
কারো সম্পর্কে তার অনুপস্থিতিতে বানিয়ে কথা বলা কি গীবতের মত বড় গূনাহ নয় !
সত্য বলেছে । তিনি কায়্যুমুয যামান । একজন মুমিন ব্যক্তি কখন কায়্যুমুয যামান হয় ? যখন ঐ মুমিন ব্যক্তি নফল ইবাদত করতে করতে এমন এক পর্যায় যান যেখানে নৈকট্য রয়েছে ।
হাদিসে উল্লেখ আছে “ বান্দা নফল ইবাদত করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য হাসীল করে যে আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে আমি তার মুখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে বলে আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে । “
এখানে লক্ষ্যণীয় যে উক্ত মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ হয়ে যান । কিন্তু হাকিক্কত নন । উপমাটা এরুপ যে একটি রশি দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত । তাকে একটি গিট । এখানে হাকিক্কত হলো মূল রশি গিট হলো মুমিন বান্দাটি ।
তো স্বাভাবিক ভাবেই তিনি কায়্যুমুয যামান । তাছাড়াও তিনি সম্মানিত ১২ ইমামদের একজন । এ বিষয়ে পরে বলছি । আশা করা যায় বিষয়টি বুজতে পেরেছেন ।
*সূর্য এবং চন্দ্র নাকি উনার অনুমতি ব্যতিত উদিত হয় না বা অস্ত যায় না।
এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা । উনি কখন এ কথা বলেছেন ?
উত্তর একটাই না তিনি বলেন নি মূলত কায়্যুমুয যামান লকবের সূত্র ধরেই তারা এ কথা নিজ থেকে বলছে ।
তো এখানে কেন বানিয়ে বানিয়ে কথাটা বলল ?
“যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ করো ”
কারো সম্পর্কে তার অনুপস্থিতিতে বানিয়ে কথা বলা কি গীবতের মত বড় গূনাহ নয় !
Friday, September 29, 2017
রাজারবাগ শরীফ থেকে প্রকাশ্যে বাহাছের চ্যালেঞ্জ
হক্বের বিরোধীতা সৃষ্টির শুরু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। আর এটা হচ্ছে একটা স্বাভাবিক নিয়ম। নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রত্যেকেরই বিরোধীতা হয়েছিল। স্বয়ং আখেরী রসূল, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও বিরোধীতা হয়েছে। পরবর্তীতে হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের, ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাহি উনাদের ও বিরোধীতা হয়েছিলো। এর ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে কিয়ামত অবধি।
একই ধারাবাহিকতায় খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও বিরোধীতায় লিপ্ত রয়েছে কতিপয় ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক, গোমরাহ, কাফির-মুশরিকদের উচ্ছিষ্ট ভোগী।
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম যমানার লক্ষস্থল ওলী আল্লাহ। সে কারনেই উনি কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ইজমা এবং ক্বিয়াস এর উপর পরিপূর্ন প্রতিষ্ঠিত।
Labels:
আউলিয়া,
ওলি আল্লাহ,
মুজাদ্দিদ,
মুনাজাত,
শিক্ষা
Sunday, September 24, 2017
কাফিরদের প্রতি বদদোয়া
আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনার প্রতি কারো কোন হক্ব নেই। তারপরেও আপনি নিজেই বলেন, আপনার হক্ব হচ্ছে মুমিনদেরকে সাহায্য করা। এখন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান আমরা সকলেই আপনার গায়েবী মদদ, আপনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গায়েবী ইহসানের দিকে রুজু হয়ে রয়েছি। আমাদের কোন ব্যবস্থা নেই আয় মহান আল্লাহ পাক! মুসলমানদের কোন ব্যবস্থা নেই, মুসলমানদেরকে কঠিন কষ্ট দেয়া হচ্ছে, অত্যাচার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে, বরদাশতের বাইরে যুলুম করা হচ্ছে আয় মহান আল্লাহ পাক! হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম তিনি ক্বাবা শরীফ উনাকে আপনার নিকট সোপর্দ করেছিলেন আপনি মালিক হওয়ার পরেও অতঃপর আপনি গ্রহণ করেছিলেন এবং হিফাযতও করেছিলেন। আয় মহান আল্লাহ পাক! এখনতো দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান কঠিন অবস্থার সম্মুখীন আপনাকে মানার কারণে, আপনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানার কারণে এরা যুলুম করে যাচ্ছে। আয় বারে ইলাহী!
Thursday, September 14, 2017
রোহিঙ্গা সহ সারা পৃথিবীব্যাপী অকাতরে মুসলমান শহীদ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার অবস্থান
ইদানিং রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে কিছু বিরোধী মহল বলতে চায় যে, সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কি করা হচ্ছে…?
এর জবাবে বলতে হয়, ‘পেঁচা কখনো সূর্য দেখতে পায়না, সেজন্য কি সূর্য উদিত হয়না? সূর্য ঠিকই উদিত হয় কিন্তু পেঁচা সেটা দেখার যোগ্যতাই রাখেনা।
উল্লেখিত মূর্খলোকদের অবস্থাটা হচ্ছে, সেই পেঁচা আর কুয়োর ব্যাঙের মতো। তারা চোখে কাঠের চশমা পড়ে থাকে তাই সামনে সংঘঠিত বিষয় সম্পর্কে তারা অবগত নয়। মূলতঃ এদের কাছে রোহিঙ্গা নির্যাতন প্রকৃত ইস্যু নয় বরং প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিভিন্ন সুতানাতায় সত্যটাকে লুকাননো এবং সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার বিররোধিতা করা। বিরোধী মহলের নানান মিথ্যা অপবাদ-অপপ্রচার করা সত্ত্বেও তার শরীয়তসম্মত জবাব দিয়ে ‘সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা’ দুর্বার গতিতে দিক-বেদিক ছড়িয়ে পড়ছেন, হক্ব তালাশী মুসলমান সেটা অত্যন্ত তা’যীম-সম্মানের সহিত গ্রহণ করছেন। আজ যার উছীলায় প্রত্যেকেই নিজেকে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্তাক্বী ও আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়ার কোশশে নিয়োজিত হচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ্, যার কারণে উনারা সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনাকে সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ হক্ব দরবার শরীফ হিসেবে মূল্যয়ন করছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)