নাম মুবারক সম্পর্কে জিহালতী ও মিথ্যাচারিতা
উক্ত মহা কাযযাব তার ভ্রান্তিমূলক রেসালা “আদদ্বীনে” আরো লিখেছে, “………… মজার ব্যাপার হচ্ছে, ‘দিল্লুর রহমান’ নামটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, রহমান (আল্লাহ পাক) যাকে গোমরাহ করেছেন। নাঊযুবিল্লাহ!
জিহালতী ও মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জবাব
মহা কাযযাব মুসাইলাম এবার প্রমাণ করলো যে, সে শুধু মহা কয্যাবই নয় বরং সে মহা জাহিল অর্থাৎ আশাদুদ দরজার জাহিলও বটে। কারণ সে নিজেকে ‘শায়খুল হাদীছ’ বলে প্রচার করছে, অথচ মীযান বা তৃতীয় শ্রেণীর জ্ঞানও তার নেই। আর এ কারণেই সে ‘নাম মুবারক’-এর ভুল অর্থ করেছে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি তোহমত দিয়ে কুফরী করে বসেছে। তার বক্তব্য হলো, “মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে গোমরাহ করেন।” নাঊযুবিল্লাহ! অথচ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা হলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাকে গোমরাহ করেন না। বরং বান্দাই তার বদ আক্বীদা ও আমলের কারণে গোমরাহ হয়ে যায়। কাজেই প্রমাণিত হলো, তার মধ্যে কুফরী আক্বীদা রয়েছে।
স্মর্তব্য যে এ ধরনের জিহালতী ও কুফরীমূলক বক্তব্য মহা কাযযাবের গুরু শাইখুল কাযযাব মাহিউদ্দীনও তার মদীনা পত্রিকায় দিয়েছিল। মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর ১৩তম সংখ্যায় মতামত বিভাগে তার দাঁতভাঙ্গা দলীলভিত্তিক জবাব দেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সে নাম মুবারকের ব্যাপারে টু শব্দ করার সাহস পায়নি। শুধু তাই নয় পরবর্তীতে জাহিলদের জিহালতী দূর করার উদ্দেশ্যে আল বাইয়্যিনাত-এর ৪৯তম সংখ্যার সুওয়াল-জাওয়াব বিভাগে নাম মুবারকের দলীল ভিত্তিক তাহক্বীক্ব উল্লেখ করা হয়। মহা কাযযাব ও মহা জাহিল মুসাইলামের দাঁতভাঙ্গা জবাব স্বরূপ উক্ত মতামত ও সুওয়াল জবাবটি হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো-
নাম মুবারক ও লক্বব মুবারক সম্পর্কে