Tuesday, May 8, 2018
Thursday, April 26, 2018
ইসলামের জন্য যেসকল আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে
১) মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত
রিট:
কুড়িগ্রামের একটি ফাজিল
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকার কদমতলা মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর
অভিভাবক এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৈমুর আলম
খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম https://goo.gl/5qKche
২) সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ
উনার দিন পোপের আগমন নিয়ে রিট:
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ
উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি থেমে থাকলেন না। তিনি হাইকোর্টে আইনত
ব্যবস্থা নিলেন ডিএমপি’র সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে। মহান
আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে কবুল করেছেন,
তাও প্রমাণিত হলো। https://goo.gl/QEjrjj
Sunday, February 25, 2018
যদি সুন্নি-ই দাবী করে তাহলে পোপের কারণে ১২ই রবিউল আউয়াল জুলুস বা মিছিল করায় নিষিধাজ্ঞার প্রতি প্রতিবাদ কোথায় ?
কে আসল সুন্নী তা এবার ঈদে মীলদুন্নবী’র দিন প্রমাণিত হয়ে গেছে
মহান আল্লাহ পাক তিনি হক্ব আর না-হক্বকে পার্থক্য না করে ছাড়েন না। এ বছর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিন সেই হক্ব ও নাহ্বক পার্থক হয়ে গেছে। এতদিন অনেক সংগঠন মুখে মুখে নিজেদের সুন্নী দাবি করে অনেক প্রচার প্রসার করেছে। দাবি করতো, তারাই নাকি বাংলাদেশে বর্তমানে সুন্নীয়তের ধারক ও বাহক। কিন্তু এবার ঈদে মীলাদুন্নবীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিনে প্রমাণিত হয়ে গেলো সুন্নী বলতে যদি বাস্ততে কেউ থাকনে, তবে তিনি হচ্ছে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি-ই। সুবহানাল্লাহ। আর বাকিরা হচ্ছে সুন্নী নামধারী ভন্ড ও মুনাফিক।
KMT অনুসরন করুন
মুসলমানদের বর্তমান করুণ অবস্থার কারণ তারা নিজেদের সংষ্কৃতি ছেড়ে কাফিরদের সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে।
এ কথাটা মোটামুটি অনেকেই জানে এবং মুখে মুখে বলে, “মুসলমানদের উচিত নিজেদের সংস্কৃতি আকড়ে ধরা। ”
কিন্তু ‘কিভাবে ধরবে’ তার সদুত্তর কেউ দিতে পারে না।
কেউ যদি সত্যি চায়, কাফিরদের সংষ্কৃতি থেকে বের হয়ে মুসলমানদের সংস্কৃতিতে ফিরে আসবে, তবে আমার মনে হয়, তার উচিত ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসা। ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসলেই সে ১০০% কাফিরদের অনুসরণ থেকে বাচতে পারবে।
ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি কিভাবে কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে মুসলমানদের বের করে নিয়ে আসছেন ?
এর অসংখ্য উদাহরণ আছে। আমি শুধু একটি উদহারণ দিচ্ছি।
Friday, February 23, 2018
ছবি তোলা হারাম- দেওবন্দ
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনে ওয়ালা জাহান্নামী।” নাঊযুবিল্লাহ! (মুসলিম শরীফ)
عن ابى معاوية رضى الله تعالى عنه ان من اشد اهل النار يوم القيمة عذابا المصورون.
অর্থ: হযরত আবূ মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত, “নিশ্চয় ক্বিয়ামতের দিন দোযখবাসীদের মধ্যে ঐ ব্যক্তির কঠিন আজাব হবে, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি আঁকে বা তোলে।” (মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০১)
এখন হজ্জ্ব পালন করতে হলেও অসংখ্য ছবি তুলতে বাধ্য হতে হয় অর্থাৎ একটি ফরয আদায় করতে হলে বাধ্য হয়ে অসংখ্য কবীরা গুনাহ করতে হয়। (যদিও এমতাবস্থায় হজ্জ্ব ফরয থাকেনা)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়া নাজায়েজ। তাই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোনো ছবি দেওয়া যাবে না বলে ফতোয়া দিয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের ইসলামী বিদ্যাপিঠ দারুল উলুম দেওবন্দ।
দারুল উলুম দেওবন্দের হয়ে দারুল ইফতা ঘোষণা করেছে যে মুসলমান পুরুষ হোক অথবা মহিলা, তার স্যোশাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়া উচিত নয়। শুধু নিজের ছবিই নয়, ফতোয়া অনুযায়ী পরিবারের কারও ছবিই দেওয়া যাবে না।
http://archive.is/gDblH , http://archive.is/Yit1c
সউদি আরবের ছবি হারাম বিষয়ের ফতোয়াঃ
http://archive.is/3bZCV
মসজিদে হারাম বা পবিত্র কাবাঘরের আঙিনা, তাওয়াফে কাবা এবং সায়ি করার স্থানসহ অন্যান্য ইবাদতস্থলে ছবি উঠানো ধর্মীয়ভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন সৌদির বিশিষ্ট আলেমগণ। সেখানে নিজের পরিচিতি বাড়ানো কিংবা অন্য উদ্দেশ্যে যারা ছবি তুলে, তারা ‘তাদের এবং অন্যদের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করে’ উল্লেখ করে সৌদি আলেমগণ এমন ফতোয়া জারি করেন।
সৌদির ‘আল আরাবিয়া’ সূত্রে আলেমগণ বলেন, মসজিদ আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা। এখানে দুনিয়ার কোনো কাজ-কর্ম করা বৈধ নয়। মসজিদে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর জিকির-আজকার ছাড়া অন্য কিছু করা জায়েয নেই।http://archive.is/GQcqF
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম কি নতুন কেউ ? (২)
গত শতাব্দীর মুযাদ্দিদ হযরত আবু বকর সিদ্দিক (ফুরফুরাহ) রহমতুল্লাহি উনার প্র্রধান খলিফা ছিলেন উনার দুই সম্মানিত পুত্র হযরত নাজমুস সাআদাত সিদ্দিকী রহমতুল্লাহি এবং হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিক রহমতুল্লাহি । উনাদের থেকে খিলাফত পেয়েছিলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার সম্মাানিত শায়েখ হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি। হযরত আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি ঐ সময় (৫০ এর দশক থেকে ৯৫ সালে উনার বেছাল শরীফ গ্রহণ) সনামধন্য আলেম ও বুজুর্গ। সমস্ত সিলসিলাহ লোকজন উনার কাছে যান। বর্তমানে যারা ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীতা করেন তারাও সেখানে সোহবতে গিয়ে বসে থাকতো। কওমীগুরু হাফেজ্জী, চর্মনাই, বায়তুল মোকাররমের খতিব উবাইসহ সকালের আনাগোনা ছিলো সেই দরবারে। সেই দরবার শরীফ-উনার মধ্যে ইলমে তাসাউফ অর্জন করতে যাতায়ত করেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার শায়েখ আলাইহিস সালাম। উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক তখন যুবক বয়সী। তিনি কোন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন নাই। কিন্তু সেই অতি সুন্দর যুবক বয়সী ব্যক্তি যখন যাত্রাবাড়ি দরবার শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশ করতেন, তখন ঐ দরবার শরীফ উনার শায়েখ দাড়িয়ে যেতেন। কখন কখন গেইট থেকে উনাকে এগিয়ে নিয়ে আসতেন। সুবহানাল্লাহ।
Labels:
পীর,
মুজাদ্দিদ,
রাজারবাগ,
রাজারবাগের পীর সাহেব
যেখানে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা নিষেধ
রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি এমন কিছু নিয়ম চালু করেছেন, যা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য অনুসরনীয়-অনুকরনীয়।
বিশেষ করে উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা মুহম্মদীয়া জামিয়া শরীফ উনার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মাদ্রাসায় কোন শিক্ষক কোন ছাত্রকে শারীরিক শাস্তি দিতে বা মারতে পারবে না। বেত্রাঘাত, নীল ডাউন, কান মলে দেয়া, চামড়ায় চিমটি মারা সবই উনার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, ছাত্রদের তুমি-তুই বলা নিষিদ্ধ, সবাইকে ‘আপনি’ করে সম্বোধন হয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)