মহান
আল্লাহ পাক তিনি, উনার মহান খলীফা মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে সারা
কায়িনাতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়মত হিসেবে প্রেরন করেছেন। তিনিই দিচ্ছেন কায়িনাতবাসীর
প্রতিটি বিষয়ে সঠিক দিক নির্দেশনাসমূহ। উনার মুবারক দিক নির্দেশনা সমূহ
অনুসরন-অনুকরন করলেই দোজাহানে সর্বক্ষেত্রে কামিয়াবী থাকবে।
Friday, February 22, 2019
দেশের উন্নয়নের জন্য কতিপয় মুবারক দিক নির্দেশনাসমূহ
Sunday, February 10, 2019
“আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম”।
বর্তমান
সময়ের যিনি সম্মানিত মুজাদ্দিদ, হযরত মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস
সালাম তিনি কাফির-মুশরিক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের এইসব অপকৌশল সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে
অবগত। তিনি এই বাংলাদেশের আদালতে চাপিয়ে দেয়া বৃটিশ বেনিয়াদের রচিত মনগড়া আইনের
ফাঁকফোকর জেনে তাদের তৈরি অস্ত্র প্রয়োগ করেই এদের প্রতিহত করার জন্য শুরু করেন “আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম”।
এই
কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের আকিদা বিশুদ্ধ করে ঈমান হিফাজত করা।
আইনী কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত মানুষদের সম্মানিত শরীয়ত সম্পর্কে
নেই স্পষ্ট ধারণা আবার যাদের ছিটেফোঁটা যাও আছে সাম্রাজ্যবাদীদের প্রভাব বলয় থেকে
বেরিয়ে এসে তারা সঠিক ইসলাম উনাকে উপস্থাপন করতে ভয় পায় ফলে এরই ফাঁক দিয়ে তারা
সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ।
Saturday, February 9, 2019
মুবারক সফর নামা
রাজারবাগের
মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম সারা বাংলাদেশে এত বেশী মাহফিল করেছেন যে সেই মাহফিল
ছফরের সারাংশ লিখতে গিয়ে-ই মোটা বাইন্ডিংয়ের একটি কিতাব রচিত হয়ে গেছে। কিতাবটির
নাম হলো "মুবারক সফর নামা"।
মামদূহ
হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি ১৯৮৭
থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত ঢাকায় যে সমস্তস্থানে মাহফিল করেছেনঃ-
১. বাসাবো
মাঠ ।
১৯৮৭ ঈসায়ী
সালে মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বাসাবো মাঠে ।
মাহফিল
করেন তখন বাসাবো মাঠে ২দিন ব্যাপী তাফসীরুল কুরআন মাহফিলঅনুষ্ঠিত হতো।
২.
শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনী মাঠ ।
১৯৮৭ ঈসায়ী
সালে শুরু হয়েছে। এই মাহফিল হতো ‘দরসে হাদীস মাহফিল।
Tuesday, May 8, 2018
শবে বরাত নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারনা চালানোর অভিযোগে ৮ জনের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ পিস টিভির
আলোচক কাজী মুফতি ইব্রাহীম, কামালুদ্দীন জাফরী, ইমামুদ্দিন বিন আব্দুল বাছির, আব্দুর রাজ্জাক বিন
ইউসুফ, মাহমুদুল হাসান আল মাদানী, ড:
মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মুযাফফর বিন মুহসীন, শহীদুল্লাহ খান
মাদানীসহ আটজনের বিরুদ্ধে পবিত্র শবে বরাত নিয়ে মিথ্যা অবমাননাকর বক্তব্য ইউটিউবে
প্রচার করার অভিযোগে বাংলাদেশ সাইবার ট্রায়বুনাল, ঢাকায়
বিশেষ জজ আদালতে আজ (সোমবার) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর
৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে ৷ দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বায়্যিনাত পবিত্রকার
নির্বাহি সম্পাদক মুফতি আবুল খায়ের মুহম্মদ আযীযুল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
Thursday, April 26, 2018
ইসলামের জন্য যেসকল আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে
১) মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত
রিট:
কুড়িগ্রামের একটি ফাজিল
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকার কদমতলা মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর
অভিভাবক এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৈমুর আলম
খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম https://goo.gl/5qKche
২) সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ
উনার দিন পোপের আগমন নিয়ে রিট:
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ
উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি থেমে থাকলেন না। তিনি হাইকোর্টে আইনত
ব্যবস্থা নিলেন ডিএমপি’র সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে। মহান
আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে কবুল করেছেন,
তাও প্রমাণিত হলো। https://goo.gl/QEjrjj
Sunday, February 25, 2018
যদি সুন্নি-ই দাবী করে তাহলে পোপের কারণে ১২ই রবিউল আউয়াল জুলুস বা মিছিল করায় নিষিধাজ্ঞার প্রতি প্রতিবাদ কোথায় ?
কে আসল সুন্নী তা এবার ঈদে মীলদুন্নবী’র দিন প্রমাণিত হয়ে গেছে
মহান আল্লাহ পাক তিনি হক্ব আর না-হক্বকে পার্থক্য না করে ছাড়েন না। এ বছর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিন সেই হক্ব ও নাহ্বক পার্থক হয়ে গেছে। এতদিন অনেক সংগঠন মুখে মুখে নিজেদের সুন্নী দাবি করে অনেক প্রচার প্রসার করেছে। দাবি করতো, তারাই নাকি বাংলাদেশে বর্তমানে সুন্নীয়তের ধারক ও বাহক। কিন্তু এবার ঈদে মীলাদুন্নবীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিনে প্রমাণিত হয়ে গেলো সুন্নী বলতে যদি বাস্ততে কেউ থাকনে, তবে তিনি হচ্ছে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি-ই। সুবহানাল্লাহ। আর বাকিরা হচ্ছে সুন্নী নামধারী ভন্ড ও মুনাফিক।
KMT অনুসরন করুন
মুসলমানদের বর্তমান করুণ অবস্থার কারণ তারা নিজেদের সংষ্কৃতি ছেড়ে কাফিরদের সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে।
এ কথাটা মোটামুটি অনেকেই জানে এবং মুখে মুখে বলে, “মুসলমানদের উচিত নিজেদের সংস্কৃতি আকড়ে ধরা। ”
কিন্তু ‘কিভাবে ধরবে’ তার সদুত্তর কেউ দিতে পারে না।
কেউ যদি সত্যি চায়, কাফিরদের সংষ্কৃতি থেকে বের হয়ে মুসলমানদের সংস্কৃতিতে ফিরে আসবে, তবে আমার মনে হয়, তার উচিত ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসা। ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে আসলেই সে ১০০% কাফিরদের অনুসরণ থেকে বাচতে পারবে।
ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি কিভাবে কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে মুসলমানদের বের করে নিয়ে আসছেন ?
এর অসংখ্য উদাহরণ আছে। আমি শুধু একটি উদহারণ দিচ্ছি।
Subscribe to:
Posts (Atom)